স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে জঙ্গল মহলে নজর দিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা রুখে দিয়ে বাঁকুড়ার ১২ টি বিধানসভা কেন্দ্র জয়ের লক্ষ্যে ‘সংকল্প যাত্রা’ শুরু করা হল।

শুক্রবার দলের যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রানীবাঁধে এই সংকল্প যাত্রার সূচনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল সহ ১২ জন নেতা কর্মী মাথা মুণ্ডন করেন। ১২ টি বিধানসভায় জয়ের সংকল্প করে ১২ জন যুব মোর্চা সক্রিয় কর্মী মাথা মুণ্ডন করেছেন বলে তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে।

২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জঙ্গল মহলের রানীবাঁধে দুস্কৃতীদের হাতে খুন হন বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সম্পাদক অজিত মুর্ম্মু। আর ঐ খুনের ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা যুক্ত বলে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়।

এদিন সংকল্প যাত্রার সূচনা অনুষ্ঠানে দলের জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র, জেলা যুব মোর্চা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল, প্রয়াত অজিত মুর্ম্মুর স্ত্রী উর্ম্মিলা মুর্ম্মু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রয়াত অজিত মুর্ম্মুর স্ত্রী উর্ম্মিলা মুর্ম্মু ঐ ঘটনায় যুক্ত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে বলেন, আমরা চাইব ঐ ধরণের ঘটনা পৃথিবীতে আর কোনও দিন না ঘটে। বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীরা সন্ত্রাস রুখতে সংকল্প বদ্ধ হয়েছেন বলেও তিনি জানান।

জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল বিগত পঞ্চায়েত ভোটের আগে অজিত মুর্মুর খুনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২ টি বিধানসভাতে যাতে সন্ত্রাসের সম্মুখীন মানুষ না হন, একই সঙ্গে সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারা ১২ জন মাথা মুণ্ডন করলেন বলে তিনি জানান।

এদিন উপস্থিত বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্রের দাবি, প্রত্যেকটা ভোটের আগে শাসক দল জঙ্গল মহলে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরী চেষ্টা করে। এবার তা রুখতে ও রানীবাঁধ সহ রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের লক্ষ্যে যুব মোর্চার কর্মীরা সংকল্পবদ্ধ হলেন। ভোটের আগে শাসক দল ‘মাওবাদিদের উস্কানি দিয়ে তাদের সক্রিয় করতে চাইছে’ বলেও তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন। ঘটনা যাই হোক বিজেপি ও দলের যুব মোর্চার কর্মীরা তা প্রতিরোধে সংকল্পবদ্ধ বলে তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।