নয়াদিল্লি: মোদী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, সে যেই হোক৷ আর সেই বার্তাকে বাস্তবায়িত করেই আকাশ বিজয়বর্গীয়কে শো-কজ করল বিজেপি৷

গত ২৬ জুন ইন্দোরে পুর আধিকারিককে আক্রমণে বৃহস্পতিবার আক্রমণ করেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয়৷ গ্রেফতারও করা হয় তাঁকে৷ পরে জামিন পেয়ে যান তিনি৷ তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন৷ সংসদীয় বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ জানান, এই ধরণের ঘটনা একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না৷ সেই সঙ্গে আকাশ জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর যারা তাকে অভ্যর্ত্থনা জানিয়েছেন তাঁদেরকে বহিষ্কার করা হবে৷

বিজেপি নেতা রাজীব প্রতাপ রুডি জানান, মোদী জানিয়েছেন কেউ ভুল কিছু করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তা প্রত্যেকের জন্যই প্রযোজ্য৷ উল্লেখ্য, আকাশ বিজয়বর্গীয়কে গত ২৬ জুন গ্রেফতার করা হয় নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে৷ তাঁকে ৭ জুলাই পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয়৷ পরে তাঁর জামিন মঞ্জুর হয় এবং তিনি ছাড়া পান৷ তিনদিন পরে আকাশ জেল থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে ঘিরে বহু বিজেপি সমর্থক উল্লাস প্রকাশ করেন৷ তাকে মালা পরিয়ে শূন্যে গুলি ছুঁড়ে অভ্যর্ত্থনা জানানো হয়৷

গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অমিত শাহ মধ্যপ্রদেশে বিজেপির শাখা থেকে ইন্দোরের ঘটনা সম্পর্কে একটি রিপোর্ট চান৷ এদিকে, সোমবার কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছেলের পক্ষ নিয়ে বলেন, ‘কাচ্চা খিলাড়ি’ (অপরিণত খেলোয়াড়)৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।