নয়াদিল্লি: সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দু’টি পুরস্কার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এবার তাঁর মুকুটে যুক্ত হল আরও একটি পালক৷ তবে এবারের রেকর্ড শুধু তাঁর একার নয়৷ তাতে অংশীদার তাঁর দল ভারতীয় জনতা পার্টিও৷

আর সেই রেকর্ড গড়তে বিজেপির দাপটে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি তো উড়ে গিয়েইছে৷ একই সঙ্গে খড়কুটোর মতো হাওয়া গিয়েছে বিজ্ঞাপনী জগতের বহু নামীদামী ব্র্যান্ড৷

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে অক্টোবর থেকেই সরগরম গোটা দেশ৷ সভা-সমাবেশ-মিছিলে যেমন প্রচার চলছে, তেমনই বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে টিভিতেও৷ আর সেই বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে সকলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর দল৷

১৬ নভেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহের বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে বার্ক (ব্রডকাস্ট অডিয়েন্স রিসার্চ কাউন্সিল)৷ সেই তথ্যেই জানা গিয়েছে বিজেপির কৃতিত্ব৷ বার্কের তরফে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে প্রথম দশে কংগ্রেসের কোনও স্থান নেই৷ এমনকী ধারে কাছে নেই অন্য কোনও রাজনৈতিক দল৷

বিজেপির পরে দ্বিতীয় স্থানে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স৷ তৃতীয় স্থানে রয়েছে অনালাইন ভ্রমণ সংস্থা ট্রিভাগো৷ এছাড়া প্রথম দশে দেশের বড় বড় ব্যবসায়িক ব্র্যান্ডগুলি৷ তবে বিজেপির সঙ্গে বাকিদের পার্থক্য কিন্তু অনেক৷

বার্কের হিসেব অনুযায়ী, নভেম্বরের ১০ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে বিজেপির বিজ্ঞাপন চলেছে ২২ হাজার ৯৯ বার৷ আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেটফ্লিক্সের বিজ্ঞাপন চলেছে ১২ হাজার ৯৫১ বার৷ ফলে বোঝাই পার্থক্য ঠিক কতটা৷

বিষয়টি সামনে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে৷ বিজেপির তরফে কারও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি৷ তবে বিরোধীরা তোপ দাগতে শুরু করেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।