স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: টলিপাড়ায় ‘মহাজোট’ হতে চলল। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ন্ত্রিত সংগঠনকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে বিজেপি প্রভাবিত বেশ কিছু সংগঠন কাজ শুরু করেছিল। টলিউডের বেশ কিছু চর্চিত মুখও বিজেপিতে যোগদান করেছেন। কিন্তু কোথাও যেন আক্রমণ দানা বাধেনি। সেই কারণেই, তৃণমূল বিরোধী বা টলিপাড়ায় সিন্ডিকেট বিরোধী প্রচারকে মুক্ত বাতাস দিতে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে – ‘খোলা হওয়া।’

সূত্রের যা খবর, এই সংগঠনের মাথায় সভাপতি হিসাবে থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। আহবায়ক বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা, প্ৰধান উপদেষ্টা বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাসগুপ্ত। দুই বিজেপি নেত্রী ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পাল এবং অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু সহ সভানেত্রী হিসাবে থাকবেন। থাকবেন আরও কিছু উল্লেখযোগ্য মুখ। যেমন, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই ‘খোলা হওয়ার’ শুভ মুক্তি।

শঙ্কুদেব বলেন, “আলোচনা হয়ে গিয়েছে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই বিস্তারিত জানা যাবে।” তবে যা খবর, খোলা হওয়ার মূল ব্যক্তিত্বরা চাইছেন কিছুটা স্বতন্ত্রটা। যেমন, এই সংগঠন রাজনীতির উর্ধে থাকুক। যাঁরা টলিপাড়ায় বর্তমান সিন্ডিকেটের বিরোধী তাঁরাই আসুন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস থেকেও খোলা হাওয়া খেতে আসতে পারেন। কারণ, উদ্যোক্তারা মনে করেন, টলিউডের সিন্ডিকেটরাজে বিরক্ত তৃণমূলের একাংশ।

তবে কি হবে বিজেপি প্রভাবিত বাকি সংগিঠনগুলির? তারা কী অবিলুপ্ত হবে? মুখে না বললেও অনেকেই তাই মনে করেন। যে জায়গা থেকে খোলা হওয়া কাজ করবে, অন্য সংগঠনগুলির কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ খুব বেশি থাকবে না। বিজেপি এই সংগঠন থেকে দূরে থাকলেও বিজেপির একটি প্রচ্ছন্ন মদত থাকবেই। বাবুল সুপ্রিয়, স্বপন দাশগুপ্তের মতো বিজেপি সাংসদকে যুক্ত করে ধরে, ভারে ক্ষিপ্রতায় উপযোগী সংগঠন তৈরি করার চেষ্টা চলছে, যাতে মেগা তারকারাও টলিপাড়ায় চলতি সিন্ডিকেট বিরোধী চিন্তাভাবনা করতে পারে।

কাজের সুযোগ, বলিউড ইন্ডাস্ট্রি ব্যাক আপ বা ছবি মুক্তির জন্য সিনেমে হল পাওয়ার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস টলি পাড়াকে নিয়ন্ত্রণ করেন। তৃণমূলের একচেটিয়া আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে দুই বিজেপি সাংসদ মাঠে নেমেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।