স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: বিজেপিকে ভয় পেয়ে রাজপথে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে শাসক দল৷ এই মুহূর্তে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল বিজেপিই৷ কংগ্রেস-সিপিএমের কোনও অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না রাজ্যে৷ সোমবার অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই মুখ খুললেন মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়৷ রাজ্যের শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি, পাহাড় ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন রকেট৷

সোমবার বহরমপুর গ্রান্ট হলে দক্ষিণ মুর্শিদাবাদ জেলা মহিলা মোর্চার সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির হয়ে মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, ‘‘যে রাজ্যে নিজেরাই শাসনে রয়েছে, সেই রাজ্যে তাঁরা নিজেরাই পথে নেমে আন্দোলন করছেন৷ এদের এখন পুলিশেরও দরকার নেই, মিছিলের অনুমতিরও দরকার নেই৷ বোঝায় যাচ্ছে তৃণমূল বিজেপিকে ভয় পেয়েছে৷ লড়াইটা তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির৷ কংগ্রেস-সিপিএমের কোনও অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না রাজ্যে৷’’

এদিন অধীর দুর্গে দাঁড়িয়ে গোর্খাল্যান্ডের ইস্যুতে মুখ খোলেন লকেট৷ মন্তব্য করেন, ‘‘পাহাড় যখন অশান্ত ছিল, তখন আমিই গিয়েছিলাম৷ তখনও কিন্তু, শাসকদলের কোনও নেতা মন্ত্রীকে দেখা যায়নি পাহাড়ে৷ আজ পাহাড় হাসছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে পাহাড়কে নরকে বানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার৷ পাহাড়ে শান্তির নামে গুন্ডা পুষে রাখা হয়েছে৷ এই দার্জিলিংকে মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে নষ্ট করে দিচ্ছে৷ কাশ্মীর যেমন দেশের মুকুট, দার্জিলিং আমাদের রাজ্যের মুকুট৷ বিজেপি কখনই পৃথক রাজ্যের দাবিকে সমর্থন করে না৷ আমরা চাই, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পাহাড় সমস্যা সমাধান হোক৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।