বর্ধমান :  ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় সরকারের উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাস প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার  এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বর্ধমান শহরের ২নং শাঁখারীপুকুর এলাকায়।
এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার সনত বক্সী অভিযোগ করে বলেন, “এদিন বর্ধমানের নবপল্লী এলাকায় বিজেপির ওবিসি মহিলা মোর্চার জেলা সভানেত্রী কাকলী ঘোষ ২ টাকা করে নিয়ে উজ্জ্বলা গ্যাসের ফর্ম বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি জানার পর বর্ধমান থানা-সহ মহকুমা শাসককে জানানো হয়। ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ দেখেই অনেকে সরে পড়ে। “
তিনি আরও জানিয়েছেন, ভোটের মুখে কার্যত গ্যাস পাইয়ে দেবার খেলা চলছিল। তাঁর দাবি, এলাকার নবপল্লী, কোঁড়াপাড়ার প্রায় ২০০ মানুষকে এদিন এভাবেই ২ টাকার বিনিময়ে উজ্জ্বলা গ্যাসের ফর্ম বিলানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেত্রী কাকলী ঘোষ।
তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা জানিয়েছেন, তৃণমূল মিথ্যা অভিযোগ করছে। তিনি কাউকেই ২ টাকার বিনিময়ে ফর্ম বিক্রি করেননি। তাঁর দাবি,  এই সমস্ত এলাকার বেশীরভাগ মানুষের প্রথাগত শিক্ষা নেই। তাই তাঁরা এদিন কিভাবে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে তা জানতেই তাঁর কাছে এসেছিলেন। তিনি  আরও জানিয়েছেন, এই ফর্ম ভোট ঘোষণা হবার আগেই এঁরা নিয়েছিলেন। কিন্তু ফিলাপ না হওয়ায় তাঁরা জমা দিতে পারছিলেন না। এদিকে এই ঘটনার পর বর্ধমান থানার পুলিশ এসে ফর্ম ফিলাপ বন্ধ করে দিয়ে যায়। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস-বিজেপির মধ্যে চাপা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
এমনিতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল প্রবল। নির্বাচনে ঘোষণার পরে উজ্জ্বলা গ্যাস সুবিধা ইস্যুতে আরও বিব্রত বিজেপি।  গত জানুয়ারিতে জেলা বিজেপি কার্যালয়ে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে ভাঙচুর হয়। সেই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে আলোড়ন ছড়িয়েছিল। জেলা জুড়ে আদি বিজেপি  ও নব্য বিজেপির দ্বন্দ্ব বারবার প্রকট হয়েছে। ইতিমধ্যেই বদল করা হয়েছে জেলা বিজেপি সভাপতি কে।
বিজেপির জেলা নেতৃত্বের একাংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বর্ধমানবরিধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়ার ভূমিকা নিয়ে। অভিযোগ, তিনি এলাকায় থাকেন না। ভোট প্রচারে সাংসদকে দলীয় মঞ্চে অতিথি বলায় তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। ফের প্রকাশ্যে এসেছিল বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।