ভোপাল: ভোপালে এবার নয়া মাস্টারস্ট্রোক বিজেপির। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের বিপরীতে সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুরকে প্রার্থী করল বিজেপি। জল্পনা ছিল। বুধবারই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। আর সেখানেই রয়েছে মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্ত এই নেত্রীর নাম।

মঙ্গলবারই এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিজেপি যদি তাঁকে প্রার্থী করতে চায় তাহলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। নাম ঘোষণার পর তিনি বলেছেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।’

বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির সাংগঠনিক পদে ছিলেন সাধ্বী। এবার নামলেন মূল ময়দানে। তিনি জানিয়েছেন, দিগ্বিজয়ের বিরুদ্ধে লড়া তাঁর জন্য এমন কোন বড় চ্যলেঞ্জ নয়। কারন দিগ্বিজয় জাতীয়তাবাদ বিরোধী কথা বলছেন আর তিনি জাতীয়তাবাদের পক্ষে।

দিগ্বিজয়ের মন্দিরে যাওয়া প্রসঙ্গে সাধ্বী বলেন, ‘তিনি আসলে ভণ্ড, মানুষ তাঁর আসল রূপ জানে। তাঁকে বলা হয়, তিনি যদি টিকিট পান তাহলে স্থানীয় নেতৃত্বরা তাঁকে বহিরাগত চিহ্নিত করে তাঁর বিরুদ্ধে যাবে। এই প্রসঙ্গে সাধ্বী বলেন, তিনি মোটেও বহিরাগত নন। তিনি ১৬ বছর বয়স থেকে ভোপালে বসবাস করছেন। তিনি সমগ্র ভোপাল জুড়ে কাজ করে চলেছেন এবিভিপির সাংগঠনিক কর্মকর্তা হবার পর থেকেই। ভোপালের প্রত্যেকটি পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মালেগাঁও মামলায় মাত্র কিছুদিন আগেই এনআইএ’র বিশেষ আদালত থেকে ছাড় পেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে তাঁকে ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল।

১৯৮৯ থেকে ভোপালে জয়ের সাধ পায়নি কংগ্রেস। ২০১৪ সালে বিজেপির অলোক সাঞ্জার ৩.৭ লক্ষ ভোটে জয় পেয়েছে। কিন্তু দিগ্বিজয় সিংকে প্রার্থী করাটা বিজেপিকে ময়দানে নামতে নিমন্ত্রণ জানান বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। গত বিধানসভা নির্বাচনে ভোপাল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৮ টি বিধান সভার ৩ টি জিতেছিল কংগ্রেস। ৫ টি পেয়েছিল বিজেপি।