স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি : ফের বীরভূম জেলায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এলো নলহাটিতে। অবস্থা বেগতিক দেখে শেষে আঁচ পেয়ে সভা বাতিল করতে হয় দলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে রবিবার সকালে বীরভূমের নলহাটিতে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই দলীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা ছিল জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের। সভার খবর পেয়ে নলহাটি বিধানসভার বিজেপির শতাধিক কর্মী কালো পতাকা নিয়ে সভাস্থল নলহাটি শিশু মন্দিরের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

আরও পড়ুন : ব্রিগেড সমাবেশের আগে শক্তি ঝালাই করতে পথে জেলা তৃণমূল

বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল তাকে গো ব্যাক শ্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি কালো পতাকা দেখাবে। রামকৃষ্ণ রায় অশান্তির আগাম খবর পেয়ে সেই কর্মসূচি বাতিল করেন। রামকৃষ্ণ রায় বলেন, “রথযাত্রা নিয়ে আমাদের একটা কর্মসূচি ছিল। কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকায় এই কর্মসূচি বাতিল করতে হয়েছে। এর সাথে সাথে যেহেতু ১৪ তারিখ ফের হাইকোর্টে রথের শুনানি আছে তাই সোমবার ও আমাদের দুটি জায়গায় কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে৷ এ নিয়ে কারা কি করল তা আমি জানি না”।

বিজেপির বীরভূম জেলার সংখ্যালঘু মোর্চার সাধারন সম্পাদক বদিরুল ইসলাম বলেন, “রামকৃষ্ণ রায় এমন একজন ব্যক্তি যিনি তৃণমূলের সাথে যোগসাজস রেখে নানান ধরনে কাজ কর্ম করছেন। পঞ্চায়েতে নমিনেশন করতে পারেনি। তার জন্য দলকে কোনো সহযোগিতা করেনি। রামকৃষ্ণ রায় একটা গ্রুপ তৈরি করেছেন। সব জায়গা গ্রুপবাজি করছেন। এদিন রথের জন্য একটা কর্মসূচি ছিল। তিনি কেন এলেন না আমরা জানি না। আমরা একটা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলাম”।

আরও পড়ুন : জনমত সমীক্ষার রিপোর্ট উড়িয়ে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

বিজেপি কর্মী গৌতম ভট্টাচার্য বলেন, “স্থানীয় নেতৃত্বকে না জানিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের নেতৃত্বে একটা কর্মসূচি গ্রহণ করে ছিল। আমরা জানতে পেরে কালো পতকা দেখিয়ে গো ব্যাক শ্লোগান দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম উনি ভয় পেয়ে আসেনি। কারণ তিনি শাসক দলের সভাপতি সাথে হাতে হাত মিলিয়ে দলের সর্বনাশ করছেন। ওনাকে আমরা নেতৃত্ব হিসাবে মানি না। উনি তৃণমূলের দালাল। তার প্রমান পঞ্চায়েতে ভোটে আমরা দেখেছি কোনো সহযোগিতা করেনি”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.