চুঁচুড়া: প্রার্থীর মনোনয়নের সময়ে পথচারীদের মুড়ির মোয়া বিলি করেছিলেন অনুগামীরা। প্রার্থীর প্রচারেও দেখা গেল সেই একই ছবি।

হুগলী লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারে বেরিয়ে মুড়ির মোয়া বিলি করলেন কর্মী-সমর্থকেরা। বঙ্গ রাজনীতিতে ভোটের বাজারে জমজমাট অনুব্রত মণ্ডলের নকুলদানা। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির নকুলদানার জবাব দিতে মোয়া বিলি করছে হুগলি জেলার বিজেপি নেতৃত্ব।

শনিবার হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের পোলবার থানার অন্তর্গত কুষপুকুর থেকে শুরু করে সুলতানগাছা এবং রেড়েরপাড় থেকে মহানাদ বিভিন্ন চলে অঞ্চলে বিজেপির প্রচার মিছিল। যার নেতৃত্বে ছিলেন ওবিসি মোর্চার হুগলি জেলার সাধারন সম্পাদক সুরেশ সাউ। সেই মিছিলেই পথচলতি মানুষের হাতে মুড়ির মোয়া তুলে দিতে দেখা গিয়েছে মিছিলে অংশ নেয়া বিজেপি কর্মীদের।

এই বিষয়ে সুরেশ সাউ বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে দেখা যাচ্ছে ৮০% কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ২০% রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট প্রক্রীয়া পরিচালনা হচ্ছে। এই অবস্থায় আমরা দেখছি যে বুথেই রাজ্য পুলিশ নিয়োগ করা হচ্ছে সেখানেই তৃণমূলের উন্নয়ন বাহিনী পৌছে যাচ্ছে তাদের নকুলদানা বিলি করতে। তাই আমরা হুগলি লোকসভার সর্বত্রই সাধারণ মানুষ এবং দলের কর্মীদের মুড়ির মোয়া দিয়ে এটাই বোলে রাখছি যখনই দেখবেন উন্নয়ন আপনার বাড়ির দরজায় নকুলদানা নিয়ে দাড়িয়ে আছে ঠিক সেই পরিপ্রেক্ষিতে আপনিও তাদের হাতে মুড়ির মোয়া দিয়ে সৌজন্য বিনিময় পালন করুন এবং সুস্থ্য ও অবাধ ভোট পরিচালনা করতে সাহায্য করুন।”

এদিন এই কর্মসূচীতে সুরেশ সাউ ছাড়াও উপস্তিত ছিলেন ওবিসি মোর্চার সহসভাপতি রাজীব নাগ, ওবিসি মোর্চার পোলবা মন্ডল সভাপতি বিমল রায়, সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ মজুমদার এবং স্থানীয় প্রায় ৪০০ কর্মীদের নিয়ে ওই দিন দুপুর ১২টা থেকে ২টো পর্যন্ত এই কর্মসূচী চলে।

কর্মীদের মোয়া বিলির বিষয়ে নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, “মুড়ির মোয়া, চিরের মোয়া, নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু এগুলো বাঙালির ঐতিহ্য। বাংলার ঐতিহ্যকে আস্তে আস্তে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। এখন বাংলা মানেই সন্ত্রাস হয়ে গিয়েছে। মানুষের কাছে বাংলার পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”