Nadia district police ask report from Bjp for Nabaswip Rathyatra
ফাইল ছবি।

বর্ধমান : শুক্রবারই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে, ঠিক তারপরই সরিয়ে দেওয়া হল বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে। তাঁকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে রাঢ়বঙ্গের বুথ ইনচার্জ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

আর শুক্রবার জেলা সভাপতিকে সরিয়ে দেবার পর বিজেপির আরও তিনজন কর্মীকে দল থেকে সাসপেণ্ড করল বিজেপি রাজ্য কমিটি। শুক্রবারই বিজেপির সোঁয়াই গ্রামের বাসিন্দা স্মৃতিকান্ত মণ্ডল, পালসিটের বাসিন্দা সাগ্নিক শিকদার এবং বর্ধমানের ডিভিসি মোড়ের বাসিন্দা উত্তম চৌধুরী এক বছরের জন্য সাসপেণ্ড করা হল। শুক্রবারই দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের এই সিদ্ধান্ত এই দলীয় কর্মীদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি তথা ইলেকশন অফিস ইনচার্জ প্রতাপ ব্যানার্জ্জী।

আর এই ঘটনায় বিজেপির অন্দরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন ঘোষণার পর এই ধরণের শুদ্ধিকরণের রাস্তায় হাঁটায় ঝুঁকিবহুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বলে মনে করছেন এক অংশের বিজেপি কর্মীরা। উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারী বিজেপির জেলা অফিসে আদি ও নব্য গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর চালানো হয় জেলা কার্যালয়ে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী-সহ ১৪ জনকে শোকজ করে রাজ্য কমিটি। যথারীতি ৭ দিনের মধ্যে সেই শোকজের জবাব পাঠান নেতারা।

জানা গিয়েছে, সেই শোকজের ভিত্তিতেই শুক্রবার সন্দীপ নন্দীকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া-সহ স্মৃতিকান্ত মন্ডল, উত্তম চৌধুরী ও সাগ্নিক সিকদারকে সাসপেন্ড করলো রাজ্য কমিটি।

আরো পোস্ট- “উড়ছে আবির দেখবি আয়, বাংলা তার নিজের মেয়েকেই চায়”, ভোটারদের মন জয়ে দেওয়াল লিখন তৃণমূলের

অন্যদিকে, সন্দীপ নন্দীকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেবার পর নয়া জেলা সভাপতি করা হয়েছে বর্ধমান শহরের খালুইবিল মাঠের বাসিন্দা বিজেপি নেতা অভিজিত তাঁ-কে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ জানুয়ারীর ওই ঘটনার পরই বিজেপির আদি ও নব্য গোষ্ঠীর সমর্থকরা রীতিমত দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আদি কর্মীরা পাল্টা প্রার্থী দেবার কথাও ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দেওয়াল লিখনও শুরু করে দিয়েছেন। এমতবস্থায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মাথা চাড়া দেওয়া দলের অভ্যন্তরে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে ঠেকাতে দলের নেতাদের এভাবে সাসপেণ্ড করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিজেপির একাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।