কলকাতা: পুরসভা অভিযানে বিজেপি৷ চাঁদনিচকে আটকে দিতে পারে পুলিশ৷ তৈরি করা হয়েছে ব্যারিকেড৷ প্রস্তুত রাখা হয়েছে জল কামান ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র‌্যাফ) ৷ ডেঙ্গু রুখতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার৷ তারই প্রতিবাদে এই অভিযান৷ মিছিলের অগ্রভাগে রয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷

সারা রাজ্য জুড়ে যেভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ সেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ব্যর্থ পুরসভা গুলো এবং রাজ্য সরকার। ডেঙ্গু আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে অথচ সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলো কে এমন ভাবে চাপে রেখেছে যে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হলেও তা গোপন করা হচ্ছে। ডোমজুড় ওদের ক্ষেত্রে পুরসভা গুলির যে ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল তা তারা নিচ্ছেন না এবং তার কারণে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গুর মৃতের সংখ্যা এবং তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর গুলো সেভাবে কাজ করছে না বলে অভিযোগ বিজেপির। কলকাতা পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা অথচ পুরসভা নিশ্চুপ। তারই প্রতিবাদে বিজেপির সদর দফতর থেকে একটি মিছিল কলকাতা পুরসভা দিকে যাচ্ছে৷

গত ৩০ অক্টোবর স্বাস্থ্যভবন জানায়, এ রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার। এবং ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ২৩। শনিবার মুখ্যসচিব রাজীব সিংহের নেতৃত্বে পর্যালোচনা বৈঠকের পরে রাজ্য সরকার জানায়, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪,৮৫২ জন। ডেঙ্গুর এই প্রকোপ ঘিরেই একটি বৈঠক ডাকা হয়।

বৈঠকে হাজির ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী-সহ কলকাতা পুরসভা, দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়ার প্রতিনিধিরা। গত এক সপ্তাহে কলকাতা পুর এলাকা, হাওড়া গ্রামীণ এবং হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ উত্তরোত্তর বেড়েছে। বৈঠকে উপস্থিত এক কর্তার বলেন, ‘‘নতুন করে তিনটি এলাকায় ডেঙ্গির প্রবণতা বেড়েছে। ফলে উদ্বেগে রয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ওই তিন এলাকা ছাড়াও সর্বত্র সচেতনতা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ করা হচ্ছে।’’

সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার পর্ণশ্রী, ধাপা, পিকনিক গার্ডেন, তিলজলা প্রভৃতি এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। অন্য দিকে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর চৌবেরিয়া ১,২, নৈহাটি পুরসভার অন্তর্গত গরিফা, হাজিনগরে এবং খড়দহের রহড়ায় বিশেষ নজর রেখেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। হুগলির ডেঙ্গু উদ্বেগের কারণ হল রিষড়া পুরসভা। হাওড়ার ডোমজুড় ব্লক এবং বাঁকড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতেও বেড়েছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।

এই পরিস্থিতিতে বৈঠকে জোর দিতে বলা হয়েছে মশার লার্ভা নিধন, জঞ্জাল সাফাই, বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের উপরে। ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে মগরাহাট ১, ২ এবং মথুরাপুর ১, ২ নম্বর ব্লকে কর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুরসভাগুলির পরিষেবার গতিও বাড়ানোর নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I