স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: এক ছাত্র সহ তিনজনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জেলা জুড়ে এক ঘন্টার প্রতীকি পথ অবরোধ করল বিজেপি। জেলার তালডাংরা, মেজিয়া, বাঁকুড়া, সোনামুখী, পাত্রসায়র সহ প্রায় সর্বত্র পথ অবরোধ করে তারা৷

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পাত্রসায়রে দলীয় কর্মসূচী সেরে ফেরার পর কাঁকরডাঙ্গা মোড়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হন অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্র সহ তিনব্যক্তি। রাতেই বছর তাপস বাউরি, টুলু খাঁ ও বছর তেরোর সৌমেন বাউরিকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

পড়ুন: বাঁকুড়া সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার বিজেপি নেতা

তৃণমূলের অভিযোগ, জনসংযোগযাত্রা চলাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ির সামনে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বিজেপির অভিযোগ, বহিরাগতদের নিয়ে পুলিশ পাহারা দিয়ে এলাকায় এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর পুলিশই গুলি চালায়। যদিও গুলি চালানোর ঘটনা পুলিশ অস্বীকার করেছে। এর পরেই স্থানীয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি তমাল কান্তি গুঁইকে পুলিশ গ্রেফতার করে। রবিবার পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিনের পুলিশী হেফাজতের নির্দেশ দেন।

এদিন সকালে থমথমে ছিল বাঁকুড়ার পাত্রসায়র। সকালে ধৃত মণ্ডল সভাপতির মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। এর পরেই স্থানীয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি তমাল কান্তি গুঁইকে পুলিশ গ্রেফতার করে। রবিবার পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিনের পুলিশী হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিন তুমুল বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে অসংখ্য মহিলা কর্মী সহ বিজেপি সমর্থকরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা থাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়। অবরোধকারীদের দাবি, গুলি চালনায় যুক্ত পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকের শাস্তির পাশাপাশি দলের মণ্ডল সভাপতি তমাল কান্তি গুঁইকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে৷