ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: আমডাঙায় নিহত বিজেপি কর্মী নাজিবুর করিম ওরফে আকবরের বাড়িতে গেলেন রাজ্য বিজেপির এক প্রতিনিধিদল। সংখ্যালঘু সেলের ওই প্রতিনিধি দল নিহত আকবরের পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে।

শনিবার আরজি কর হাসপাতালে মারা যান উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙার বিজেপি কর্মী নাজিমুল করিম ওরফে আকবর (২৩)। শুক্রবার রাতে আকবরকে বাঁশ, রড দিয়ে বেধড়ক পেটায় দুষ্কৃতীরা। শেষমেশ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও বাঁচানো যায়নি। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজনই খুন করেছে আকবরকে।

পড়ুন:   নন্দীগ্রামে অনুষ্ঠিত হল প্রথম শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শনিবার আমডাঙায় নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান অর্জুন সিং। বারাকপুরের বিজেপি সাংসদের হুঁশিয়ারি, ‘দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা না-হলে আমডাঙা ভবিষ্যতে নন্দীগ্রাম হবে।’ যদিও তৃণমূল এই খুনের পিছনে কোনও রাজনীতি নেই বলে দাবি করেছে। একই দাবি করে পুলিশ৷ পরে আমডাঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত রাকেশকে গ্রেফতার করে৷ রবিবার তাকে বারাসত আদালতে তোলা হলে রাকেশকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

উল্লেখ্য, আমডাঙার বহিচগাছি গ্রামের বাসিন্দা আকবর এলাকার ডাকসাইটে সিপিএম নেতা জাকির বল্লুকের আত্মীয়। পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের সময় তিনি তৃণমূলের সঙ্গে লড়েছিলেন৷ পরে তৃণমূলের দাপট আর পুলিশি ধরপাকড়ের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালান। কিন্তু অর্জুন সিং বিজেপির প্রার্থী হওয়ার পরেই ধীরে ধীরে ঘরছাড়া অনেকের মতো ফিরে আসেন তিনিও। সক্রিয় সিপিএম কর্মী আকবর হয়ে ওঠেন বিজেপির লড়াকু কর্মী। আমডাঙায় গেরুয়া পতাকা টাঙানো হোক বা বিজেপির মিছিল- সর্বত্র সামনের সারিতে দেখা যেত আকবরকে। সেই ‘অপরাধেই’ ছেলেকে খুন হতে হল বলে অভিযোগ মোজাফ্ফর মণ্ডলের। এদিন বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র সংবাদমাধ্যমকে জানান, পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা হয়েছে৷ এব্যাপারে রাজ্য নেতৃত্বের হাতে তাঁরা সমস্ত রিপোর্ট তুলে দেবেন৷

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV