নয়াদিল্লি: গুজরাতের সদ্যসমাপ্ত পুরসভা ও পঞ্চায়েতস্তরের নির্বাচনের ফল স্বস্তি দিলেও এবার খাস রাজধানীতেই জোর ধাক্কা খেল গেরুয়া শিবির। দিল্লি পুরনিগমের উপনির্বাচনে ধরাশায়ী পদ্ম শিবির। ভোটে বাজিমাত করে হাসি চওড়া আম আদমি পার্টির। একটি আসনে জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

এবার খোদ রাজধানী দিল্লিতেই মুখ পুড়ল মোদী-শাহদের। দিল্লি পুরনিগমের ৫ আসনের উপনির্বাচনে ধরাশায়ী হল বিজেপি। চারটি আসনই দখল করেছে দিল্লির শাসকদল আপ। একটি আসনে জয় পেয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। দিল্লিতে গত বছরে মূলত যে এলাকাগুলিতে অশান্তি ছড়িয়েছিল সেখানেই এবার এই পাঁচ আসনে উপনির্বাচন হয়। স্বভাবতই ওই আসনগুলিতে বিজেপির ফলের দিকে তাকিয়েছিলেন প্রত্যেকে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা গেল দিল্লির রোহিনী-সি, শালিমার বাগ, ত্রিলোকপুরী, কল্যাণপুরী, চৌহান বাঙ্গার এলাকার ওই পাঁচটি আসনেই হেরেছে পদ্ম শিবির।

বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শিয়রে। তার আগে উপনির্বাচনের এই ফলে হতাশ পদ্ম শিবির। তবে নেহাতই একটি পুরনিগমের পাঁচটি আসনের ভোটের ফল পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করেন বিজেপি নেতারা। দিল্লির পুরনিগমের ভোটে কারাপ ফল হলেও বিজেপির জয়জয়কার মোদী-সাহের রাজ্য গুজরাতে।

গুজরাতের গুজরাতের মোট ৩১টি জেলা পঞ্চায়েত, ৮১টি পুরসভা এবং ২৩১টি তালুকা পঞ্চায়েতের নির্বাচন হয়েছিল। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে সেরাজ্যে জেলা পঞ্চায়েতগুলির সবকটিতেই জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। জেলা পঞ্চায়েতে ৭৮৬ আসন জিতেছে বিজেপি। অন্যদিকে, কংগ্রসের ঝুলিতে গিয়েছে মাত্র ১৬৭টি আসন।

শুধু পঞ্চায়েতেই নয় গুজরাতের পুরভোটেও বিপুল সাফল্য বিজেপির। সদ্যসমাপ্ত এই নির্বাচনে গুজরাতের ৭৪টি পুরসভায় জয় পেয়েছে বিজেপি। মোদী রাজ্যে মাত্র একটি পুরসভা দখল করেছে কংগ্রেস। ৬টি পুরসভার ফল ত্রিশঙ্কু।

উল্লেখ্য, গুজরাতের পুরসভাগুলির মোট ২৭২০টি আসনের মধ্যে বিজেপি একাই ২০৬৩টি আসনে জয় পেয়েছে। মাত্র ৩৮৫টি আসনে জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে কংগ্রেসকে। অন্যদিকে, সেরাজ্যের তালুকা পঞ্চায়েতেও বিপুল সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির। গুজরাতের ২৩১টি তালুকা পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৯৬টিতে জয় পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।