বেঙ্গালুরু: বেঙ্গালুরুর ঘটনা নিয়ে এবার কংগ্রেসকে খোঁচা বিজেপির। টুইটারে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিঁধেছেন কর্নাটকের বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ঘিরে মঙ্গলবার রাতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে। যার জেরে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬০ পুলিশকর্মী।

মঙ্গলবার রাতে উত্তেজনা ছড়ায় বেঙ্গালুরুর ডিজে হাল্লি এলাকায়। ‘ব্যাঙ্গালোর মিরর’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযোগ ওঠে, কংগ্রেস বিধায়ক আর অখণ্ড শ্রীনিবাস মূর্তির এক আত্মীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিতর্কিত পোস্ট করেন।

এরপরেই বিক্ষোভকারীরা ওই ব্যক্তির বাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু করে। এমনকী ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পুলিশের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। অতর্কিতে চালানো ওই হামলায় কমপক্ষে ৬০ পুলিশকর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। ওই ঘটনায় শতাধিক বিক্ষোভকারীকে পুলিশ গ্রেফতারও করে।

এদিকে, বেঙ্গালুরুর সংঘর্ষে কংগ্রেস বিধায়কের নাম জড়ানোয় আসরে নেমেছে গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার থেকেই কংগ্রেস নেতাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। কর্ণাটকের বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের নীরবতা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন টুইটারে। সেই সঙ্গে ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা, সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন ওই বিজেপি নেতা।

বুধবার কর্নাটকের বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ টুইটে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিঁধে লেখেন, ‘বেঙ্গালুরুর ঘটনা নিয়ে কেন নীরব কংগ্রেস? মৃত্যুর দায় কে নেবে? তবে কি এই ঘটনাকে সমর্থন করছে কংগ্রেস?’

যদিও বুধবারও কংগ্রেসের তরফে বিজেপির তোলা অভিযোগ প্রসঙ্গে পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এদিকে, কংগ্রেসের বিধায়কের ওই আত্মীয় জানিয়েছেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। এমনকী যে পোস্ট নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত, সেবিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা