নয়াদিল্লি : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ-ভূমি জয়ে বদ্ধপরিকর বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রীর আনাগোনা বাড়ছে রাজ্যে। নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করার পালা। সেই কাজেই এবার কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি। বুধবার দলের কোর কমিটির বৈঠকে স্থির করা হবে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার তালিকাভুক্ত আসনের প্রার্থীদের নাম। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

সূত্রের খবর বিজেপি নেতা মুকুল রায়, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও অন্যান্য বঙ্গ বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ মুখ এই বৈঠকে হাজির থাকতে পারেন। দিলীপ ঘোষ জানান খুব দ্রুত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা, যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যে এসেছেন। সেই সব জনসভার ভিড়ের গুরুত্ব খতিয়ে দেখা হবে।

বিজেপি সূত্র জানাচ্ছে নির্বাচনের আগে বাংলায় প্রায় ২০টি নির্বাচনী সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারও প্রায় ৫০টি সভা করার কথা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। অসমে প্রধানমন্ত্রী মোদী ৬-৭টি সভা করবেন বলে খবর। মোদীর প্রথম রালি ৭ই মার্চ শুরু হচ্ছে। কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা করবেন মোদী। যেখান থেকে রাজ্য জুড়ে চলা বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে বালুরঘাটে চা চক্রে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে একদফায় ভোট হবে। এটা আত্মসম্মানের ব্যাপার, করতেই হবে। এখানে রাজনৈতিক নেতাদের পাহাড়ায় জওয়ানরা থাকে, পুলিশকে পাওয়া যায় না’।

মঙ্গলবার রাজ্যে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মালদার জনসভায় তিনি বলেন বাংলায় কর্ম সংস্থানের জন্য এক সময় উত্তরপ্রদেশের যুবকরা আসতো। এখন উল্টোপুরাণ। বাংলার মানুষকে কর্মসংস্থানের জন্য উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লি যেতে হয়। বিজেপির সরকার আনুন বাংলার ভাগ্য ফিরবে এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে এখানকার মানুষকে অন্য জায়গায় কাজ করতে যেতে হবে না। বিজেপি সরকার গড়লে বাংলায় গো হত্যা বন্ধ করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।