মালদহ: জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইভিএম নিয়ে কারচুপির অভিযোগ করল বিজেপি ও কংগ্রেস। দুপক্ষেরই অভিযোগ দক্ষিণ মালদহর লোকসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুম করা হয়েছে পলিটেকনিক কলেজ। যদিও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷

কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোস্তাক আলম বলেন, ‘‘সেখানে শনিবার সকাল থেকে একটি ট্রাকে করে বেশ কিছু ইভিএমকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছিল। আমাদের দলীয় কর্মীরা খবর পেয়ে সমস্ত ঘটনা জেলা নেতৃত্বকে জানায়৷ এরপর আমাদের জেলা নেতৃত্ব সেখানে ছুটে গিয়ে তা আটকানোর চেষ্টা করে। আমরা অবিলম্বে শাসকদলের এই অঙ্গুলিহেলনে কাজ করা জেলাশাসককে ভোট গণনার আগে মালদহ জেলা থেকে সরাতে হবে। না হলে আবার ইভিএমে কারচুপি হতে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই জেলাশাসকের অঙ্গুলিহেলনেই গণনা কেন্দ্রে কারচুপি করেছিল শাসক দল। শাসকদলের কথায় এই জেলাশাসক চলেন। আমরা এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানিয়েছে সমস্ত ঘটনা প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে।’’

অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ করা হয়েছে। বিজেপির জেলা সভাপতি সঞ্জিত মিশ্র বলেন, ‘‘ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা করছিল শাসক দল। আমরা খবর পেয়ে সেখানে যাই। স্ট্রং রুমের পাহারায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলি। আমরা এই জেলা শাসকের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে।’’

তৃণমূলের মালদহ জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল সরকারের মতে, বর্তমান জেলা প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলছে। স্ট্রং রুমের পাহাড়ার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাহলে কিভাবে এই ঘটনা সম্ভব। আসলে পরাজয় নিশ্চিত জেনে আগেভাগে কংগ্রেস-বিজেপি মনগড়া একটি অভিযোগ তুলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। এসব অভিযোগ আগেও করেছে একটাও ধোপে টেকেনি। সুতরাং এ ধরনের অভিযোগকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না৷ যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।