স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: উত্তর ২৪ পরগনার দমদমে বিজেপির পার্টি অফিসে হামলা৷ আহত হয়েছেন একজন বিজেপি নেতা৷ তাকে আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে৷ অস্বীকার তৃণমূলের৷ তদন্তে নেমেছে পুলিশ৷

বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের জন্য তৈরি করা হয় এই অফিস৷ সেখানেই হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ৷ ভেতরে ঢুকে হামলা চলে৷ শুরু হয় ভাঙচুর৷ যেখানে ভাঙচুর চলে সেটি দমদম লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্যের নির্বাচনী প্রচারকেন্দ্র বলে জানা গিয়েছে৷

বিজেপির অভিযোগ, শুক্রবার বিকালে ওই অফিসে হঠাৎ বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী হামলা চালায়৷ ভেতরে ঢুকে অফিস ভাঙচুর শুরু করে৷ বাধা দিলে দুষ্কৃতীদের হামলা আহত হন একজন বিজেপি নেতা৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমদম থানার পুলিশ৷

আহত ব্যক্তি বিজেপির উত্তর কলকাতা শহরতলী জেলার সাধারণ সম্পাদক চণ্ডীচরণ রাই৷ তাঁর অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে৷ যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷

শুধু দমদম নয় ভোটের মরশুমে অশান্তি অব্যাহত গোটা রাজ্য জুড়েই৷ এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগণার দেবীপুরের বিজেপির যুব সভাপতির বাড়িতে বোমাবাজি৷ বিজেপি নেতা মলয় বৈদ্যর বাড়িতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই বোমাবাজি চালায় বলে অভিযোগ৷ শুক্রবার ভোরে ওই হামলা চলে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মথুরাপুর থানার পুলিশ৷

বিজেপির দাবি, মলয়ের বাড়ি লাগোয়া একটি পুকুর থেকে পুলিশ বোমা উদ্ধার করেছে৷ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই কাজ করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা৷ এই ক্ষেত্রেও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল৷ দু’টি ঘটনারই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও