স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  আগামী বৃহস্পতিবার রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। তার আগেই রবিবার আক্রান্ত হলেন মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ফুটবলার কল্যাণ চৌবে। কল্যাণের অভিযোগ, বিটি রোডে পুলিশের সামনে তাঁর উপর হামলা চালায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিটি রোড এলাকা। বেশ কিছুক্ষণ বিটি রোড অবরোধও করলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জানিয়েছেন কল্যাণ চৌবে।

জানা গিয়েছে, রবিবার নিয়মমাফিক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছিল মক পোলিং ট্রেনিং। তাতে উপস্থিত ছিলেন সমস্ত দলের কর্মীরা। বিকেল ৫টা নাগাদ সেখানে হাজির হন মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ। সেই সময়ই তৃণমূলের বেশ কয়েকজন কর্মী তাঁকে গালিগালাজ ও হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ। কল্যাণের দাবি, তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবাদ জানালে তৃণমূলের আরও ৩৫ থেকে ৪০ জন কর্মী সেখানে হাজির হয়ে তাঁর উপর আক্রমণ করে বলে অভিযোগ কল্যাণের। ছিঁড়ে দেওয়া হয় জামাও। শেষপর্যন্ত পুলিশ এসে কল্যাণ চৌবেকে উদ্ধার করে অন্য একটি ঘরে নিয়ে যায়।

এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিটি রোড এলাকা। এরপর বিটি রোড অবরোধও করে বিজেপি প্রার্থীরা। শেষপর্যন্ত  বিশাল পুলিশবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন কল্যাণ। তবে ঘটনায় পুলিশের সাহায্য মেলেনি বলেও দাবি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন গোলকিপারের। কল্যাণের প্রতিক্রিয়া, ‘‘তৃণমূল হেরে যাবে বুঝতে পেরেই অশান্তির সৃষ্টি করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে লড়াই করেই জিতব।’’ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে  সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূলের তরফে ব্রাত্য বসু জানান, “এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত জানা নেই। তবে কোনও প্রার্থীর উপরই হামলা একেবারেই কাম্য নয়।”

এদিকে, সল্টলেক দত্তাবাদ ডিয়ার ক্লাবের কাছে বিজেপির এজেন্ট সহ পাঁচ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতা তথা বিধাননগর পুরনিগমের প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য নির্মল দত্ত ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি বিজেপি কর্মীদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.