স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাম ছাত্র-যুব আন্দোলনের পাশে দাঁড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার পুলিশের লাঠি, ইট, কাঁদানে গ্যাস এবং জলকামানের মাঝে বাম ছাত্র-যুবরা নবান্ন পর্যন্ত যেতে পারেনি। প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিলীপ। জানিয়েছেন, সি রকম ঘটনার গণতন্ত্রে কোনও স্থান নেই। গণতন্ত্র বিপন্ন।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা অবশ্য দিলীপের মন্তব্যের ভিতরে ভোট রাজনীতি দেখছেন।

লোকসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল সিপিএম। এরাজ্যে বামশক্তি এর আগে এই দূর্দিনে দেখেনি। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের প্রাপ্ত ২৬ শতাংশ ভোট শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৭.৫২ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ১২.২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.২৩ শতাংশ ভোট।

এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য কমিটিতে বারবার আলোচিত হয়েছে, বামফ্রন্টের ভোট, বিশেষ করে সিপিএমের ভোট আত্মসাৎ করেছে গেরুয়া শিবির। সে দিক থেকে ফেলতে গেলে বাম ছাত্র যুবদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের উপর পুলিশি আক্রমণের প্রতিবাদ করার পিছনের ভোট রাজনীতিই দেখছে রাজনৈতিক মহল। কিছুদিন আগেই ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই করপোরেশন ভিক্টোরিয়া হাউস ঘেরাও করতে যাওয়ার আগে বিজেপি কর্মীদের সেন্ট্রাল এভিনিউ তে বেধড়ক মারধর করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাস, জলকামান এবং লাঠিচার্জ সেখানেও হয়েছিল। মাথা ফাটে বিজেপি কর্মীদের।

একটি বেসরকারি সংস্থার দফতররের সামনে আন্দোলনকারীরা যাতে না যেতে পারে সেই জন্য পুলিশের যা তৎপরতা দেখা গিয়েছিল, তা শুক্রবারও একই ছিল। কিন্তু, নবান্নর ৩ কিলোমিটার দূরে শুরু হয় লাঠিচার্জ।

এদিন, বাম ছাত্র যুব আন্দোলনের সমর্থনের কথা বলেছেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও।