স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় বিধানসভা ভোট ঘোষণার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর ক্ষোভকে কটাক্ষ করল রাজ্য বিজেপি৷ দলের নেতা শমীক ভট্টাচার্য বললেন, ”২০১১ সালের নির্বাচনের সময় তো মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন সাত-আট দফায় ভোট হোক।”

শুক্রবার বিকেলে দিল্লির বিজ্ঞানভবন থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে কমিশন। সেখানেই জানানো হয়, বাংলায় মোট ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হবে। এরপরই সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনের উদ্দেশ্যে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, ৮ দফায় ভোট কেন? কাকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য?  তাঁর দাবি, বিজেপির অনুরোধে এটা করা হয়েছে।

 শমীক বলেন, ” বিহারের মতো রাজ্যেও ৩ দফায় ভোট হয়। সেখানে ৮ দফায় ভোট হওয়ায় দেশের সামনে মাথা হেঁট হয়ে যায় বাঙালির। গত ১০ বছরে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের পরিস্থিতির এতটুকু উন্নতি করতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলুন, কেন আজ ৮ দফায় ভোট করতে হচ্ছে?”  তাঁর দাবি, লোকসভা নির্বাচনে যেখানে অবাধে ভোট হয়েছিল সেখানে বিজেপি জিতেছে।

ভোটের দিন ঘোষণা হতেই কালীঘাটের বাড়িতে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর মমতা কমিশনের উদ্দেশ্য বলেন, “ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মুবারক জানাচ্ছি। কোথাও কোথাও একটা প্রশ্ন এসে যাচ্ছে। বিহারে ২৪০টি আসনে ৩টি দফায় নির্বাচন। অসমে ৩টি দফায়। তামিলনাড়ুতে ২৩৪টি আসনে একদিনে নির্বাচন। কেরলে সিপিএমের সরকার এক দফায়। বাংলায় ২৯৪টি আসন। তারা রাজ্যকে সুবিচার না দিলে কোথায় যাবে জনগণ?”

‘বিশেষ’ কাউকে বাংলায় সুবিধা পাইয়ে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন মমতা। তিনি বলেন, “বিজেপি-র হাতে এজেন্সি রয়েছে। ভোটের আগে এজেন্সিগুলির অপব্যবহার করছে তারা। ভোটের আগে বাংলায় টাকা পাঠাচ্ছে। আমরা সব বুঝতে পারছি। কমিশনকে বলছি, টাকার খেলা বন্ধ করুন।’’মমতার মন্তব্য, ‘‘মিস্টার নরেন্দ্র মোদী, মিস্টার অমিত শাহ, আপনাদের বলে দিচ্ছি, বাংলার মানুষ এর জবাব দেবেন! আমিই একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। এক মহিলাকে এত ভয়!’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।