ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: গেরুয়া শিবিরের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল৷ মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপি তাদের রাজ্যের সভাপতি হিসেবে তুলে ধরে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্বতন্ত্র দেব সিংয়ের নাম৷ মহেন্দ্র নাথ পান্ডের জায়গায় তাঁকে নিয়ে আসা হয়৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করার পরের দিনই এই ঘোষণা৷

একদিকে উত্তরপ্রদেশে যেখানে স্বতন্ত্র সিং দেবকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে সেখানেই মহারাষ্ট্রে একই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয় চন্দ্রকান্ত দাদা পাতিলকে৷ নয়া দুই নাম নিয়ে কর্মকর্তারা উচ্ছ্বসিত৷ উল্লেখ্য, চন্দ্রকান্ত পাতিলের আগে এই পদে ছিলেন রাওসাহেব পাতিল৷ তিনি ইতিমধ্যেই ইস্তফাপত্র দিয়ে দিয়েছেন৷

পড়ুন: কর্নাটকের কংগ্রেস বিধায়ক আটক, বিজেপিকে কটাক্ষ কুমারাস্বামীর

১৯৮৬ সালে আরএসএসে প্রচারক হিসেবে স্বতন্ত্র দেব সিং তার জার্নি শুরু করেন৷ ১৯৮৮-৯৯ সালে তিনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য হন৷ এবং ১৯৯১ সালে তাকে কানপুর বিজেপি যুব মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়৷ ১৯৯৪ সালে তাঁকে বুন্দেলখান যুব মোর্চার ইন-চার্জ করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে যুব মোর্চার জেনারেল সেক্রেটারি পদে তিনি আসীন হন৷

শুধু তাই নয়, ২০১৭ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়েও তাঁর নাম শোনা যায়৷ পরে তিনি রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রীর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।