স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূলের হয়ে বাংলাদেশী অভিনেতা ফিরদৌস আহমেদের ভোটপ্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জামাত যোগ টানলো বিজেপি৷ রাজ্য বিজেপির দাবি, এনআইএ-এর মতো কোনও জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে ওই ঘটনার তদন্ত করা প্রয়োজন৷ রাজ্য থেকে অন্যতম জাতীয় সম্পাদক এবং কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রে পার্টির প্রার্থী রাহুল সিনহা বলেন, ‘‘তৃণমূল রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে৷ কোন বিদেশি নাগরিক ভারতে অসে ভোটের প্রচার করতে পারেন না৷ এটা রাষ্ট্রধর্মের বিরুদ্ধে৷ কোনও বিদেশী নাগরিক হয় টুরিস্ট ভিসা, নয়তো বিজনেস ভিসার মাধ্যেমে এদেশে আসে৷ তারা কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন না৷’’

রাহুলের কটাক্ষ, ‘‘অভিনেতা-অভিনেত্রী প্রার্থীরা আর কোনও কাজে আসছে না৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের সরিয়ে রেখে এখন বাংলাদেশী অভিনেতাদের সাহায্য নিচ্ছেন৷ ফিরদৌস ছাড়াও অন্য বাংলাদিশি অভিনেতা গাজি নুরকে দিয়েও প্রচার করিয়েছে তৃণমূল৷ ফিরদৌসতো চলে দিয়েছে৷ কিন্তু ওই অপর অভিনেতার খবর জানি না৷’’

রাহুলের দাবি, ‘‘সম্পূর্ণ ঘটনাটির মধ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে৷ জামাত-ই-ইসলামী যোগ রয়েছে৷ বিজেপির শক্তিতে পেরে উঠতে না পেরে ভোটে জিততে জামাতের সাহায্য নিতে পারে মমতা৷ আমরা দাবি করছি, এনআইএ-এর মতো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই ঘটনার তদন্ত করুক৷’’

অন্যদিকে, বিজেপির দাবি জাতীয় নির্বাচন কমিশনে অ্যাডিশালান সিইও সঞ্জয় বসুর মন্তব্যকে গিরে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজেপি৷ তৃণমূলের হয়ে ফিরদৌসের প্রচার নির্বাচনবিধি ভাঙেনি বলে মন্তব্য করেছেন সঞ্জন৷ বিজেপির বক্তব্য, সিইও-কে হোয়াট্স অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়েছে৷ সিইও ওই অভিযোগের প্রাপ্তি স্বীকারও করেছে৷ কিন্তু অ্যাডিশালান সিইও সঞ্জয় বসু বলছেন,ফিরদৌসের প্রচার নির্বাচনবিধি ভাঙেনি৷ অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনে কোনও সমন্বয় নেই৷ সঞ্জয় বসু নিরপেক্ষা নন৷ বিজেপির রাজ্য সভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘নির্বাচন বিধিতে না-ই বা থাকতে পারে৷ নির্বাচন বিধিতে তো সাধারণ জ্ঞানটাও নেই৷ বিদেশীকে দিয়ে কী প্রচার চলেষ এটা বোঝা উচিত ছিল৷’’