প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: ভোটের দিন যত এগোচ্ছে ততই রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের এবং সিপিএমের ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া এবং পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী দলের বিরুদ্ধে।

দুটি ঘটনা ঘটেছে যথাক্রমে শিউলি পঞ্চায়েত এলাকার গনেশপুর ও উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভার অন্তর্গত মনিরামপুরের বিশ্বনাথ রায় রোডে।

আরও পড়ুন- ‘তোমার বাবার শ্রাদ্ধে এসেছিলাম’, সাংবাদিকের প্রশ্নে জবাব আজম খানের

রবিবার রাতে শিউলির গনেশপুর এলাকায় ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদীর সমর্থনে লাগানো হয় কয়েকটি পোষ্টার হোর্ডিং। সোমবার সকালে এলাকার মানুষের নজরে আসে সেই হোর্ডিং-এ থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখমণ্ডল, তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদীর মুখমণ্ডল এবং দলের জোড়া ফুল প্রতীক কে বা কারা কেটে দিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অরুণ ঘোষ জানান, “এটা স্থানীয় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী দলের কাজ, যারা এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি চাইছি। পুলিশকে সব জানিয়েছি। এলাকা অশান্ত করার চেষ্টা চলছে।”

আরও পড়ুন- রাফায়েল জেট থাকলে বালাকোটে আরও সাফল্য আসত: বায়ুসেনা প্রধান

অপরদিকে, উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভার অন্তর্গত মনিরামপুর বিশ্বনাথ রায় রোডে লাগানো তৃণমূলের পতাকা কেউ বা কারা খুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ এনেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ওই একই এলাকায় সিপিএমের লাল পতাকা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনেছে স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব। ওই এলাকার নানা ল্যাম্প পোস্টে লাগানো সিপিএমের পতাকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা, ওই দুষ্কৃতীরা বিজেপি আশ্রিত বলে দাবী করেছে সিপিএম কর্মীরা।

তৃণমূল ও সিপিএম দুপক্ষের অভিযোগ অভিযোগ সম্পর্কে বিজেপি নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেন, পুরো ঘটনাই ভিত্তিহীন। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি ভাল জায়গায় রয়েছে, ফলে বিজেপি কর্মীদের এসব কিছু করার দরকার নেই।”

দুটি ঘটনাতেই নির্বাচন কমিশন ও টিটাগড় থানার পুলিশকে লিখিত অভিযোগ জানান হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে।