বিকেল বেলা খোলা চুলে রাস্তায় বেরোতে নেই৷ কিংবা সূর্যাস্তের পর চুল আঁচড়াতেও নেই৷ এই কথাগুলির সঙ্গে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত৷ হিন্দু ধর্মে এই ধরণের বহু কথা প্রচলিত রয়েছে৷ সংস্কার কিংবা কুসংস্কার যাই বলা হোক না কেন এর পিছনে থাকা কারণগুলি কিন্তু অনেকেই জানেন না৷

এই ধরণের বহু কুসংস্কার হিন্দুধর্মে প্রচলিত রয়েছে৷ কয়েকটি বিষয় বিজ্ঞানসম্মত হলেও বেশিরভাগটিই কুসংস্কার৷ এই নিয়ে বিভিন্ন তর্ক বিতর্ক হয়েছে৷ এই সমস্ত অন্ধবিশ্বাস দিনের পর দিন ধরেই চলছে৷ যদিও আজকের প্রজন্ম এই সমস্ত কুসংস্কারে বিশ্বাসী নয়৷

কিন্তু কেন এই ধরণের সংস্কার প্রচলিত আছে জানেন? কথিত আছে, সন্ধ্যের পর থেকেই সমাজে অশুভ শক্তি বেরিয়ে আসে৷ এই সময়ই তারা বিশাল শক্তিশালী হয়ে পরে৷ এই সমস্ত অতৃপ্ত আত্মারা সন্ধ্যের পর শক্তিশালী হয়ে নাকি সুন্দরী মেয়েদের চুলকেই লক্ষ করে৷ যার জেরে এদের উপর নাকি ভর করে সেই সমস্ত অতৃপ্ত আত্মা৷

তাই সন্ধ্যের পর রাস্তায় বেরোলে আর চুল খুলে বেরোতে নেই৷ এমনকি চুল খুলে পুজোও দিতে নেই৷ একইসঙ্গে চুল আঁচড়ানোর পর আপনার হেয়ারফল নিশ্চয়ই হয়? সেই সমস্ত চুলগুলো ঠিকঠাক জায়গায় ফেলবেন৷ যদি কোনও ব্যক্তির আপনার ক্ষতি করতে চায় কিংবা ব্ল্যাক ম্যাজিক করতে চায় তাহলে এই চুল দিয়েই সে আপনার যথেচ্ছ ক্ষতিসাধন কিন্তু সম্ভব৷