বিশেষ প্রতিবেদনঃ  পুরাণ অনুসারে বিশ্বকর্মা হলেন গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নকশা করেছিলেন। ঈশ্বরের প্রাসাদেরও নির্মাতা তিনি। বিশ্বকর্মা দেব কারিগর। তিনি দেব কূলের ইঞ্জিনিয়ার।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বকর্মা সৃষ্টিগুলি।

সোনার লঙ্কা: পার্বতীর সঙ্গে বিয়ের পর মহাদেব প্রাসাদ নির্মাণের ভার দেন বিশ্বকর্মাকে। তখন সোনার লঙ্কা নির্মাণ করে বিশ্বকর্মা। এর গৃহ প্রবেশের পূজোর জন্য শিব রাবণকে ডাকেন। পুজোর পর দক্ষিণা হিসেবে রাবণ ওই স্বর্ণলঙ্কা চেয়ে বসেন এবং শিব তা তাকে দিয়ে দেন। তারপর‌ ত্রেতাযুগে রাবণের রাজধানী হয় সোনার লঙ্কা।

দ্বারকা: দ্বাপর যুগের শ্রীকৃষ্ণের রাজধানী দ্বারকা বিশ্বকর্মার অমর সৃষ্টি। মহাভারতের দ্বারকা শ্রীকৃষ্ণের কর্মভূমি ছিল।

স্বর্গলোক: বিশ্বকর্মা নির্মাণ করেছিলেন স্বর্গলোক। এখান থেকেই ইন্দ্র মর্ত্যলোক শাসন করতেন। এছাড়া বিশ্বকর্মা বিশ্বভুবন নির্মাণ করেন।

তিনি বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র, শিবের ত্রিশূল ইত্যাদিও তিনি বানিয়ে ছিলেন। বিশ্বকর্মা শুধুমাত্র কর্মদক্ষ ছিলেন না, তিনি বেশ কিছু গ্রন্থ লিখেছিলেন‌। তার লেখা স্থাপত্য শিল্প সম্পর্কিত গ্রন্থটির নাম ‘বাস্তু শাস্ত্রম’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.