শঙ্কর দাস, বালুরঘাট: রাত পোহালেই বিশ্বকর্মার পুজো। প্রতিবছর এই পুজোর অন্তত চার পাঁচদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রতিমা সহ পুজোর অন্যান্য সামগ্রী কেনা কাটায় ব্যস্ত হয়ে যান পূজার্থীরা। এই উপলক্ষে বিশেষ করে বালুরঘাটের বড় বাজারের কয়দিন ভিড়ে ঠাসা থাকে।

এবারে সেই ছবি একেবারেই অমিল বালুরঘাট গঙ্গারামপুর সহ জেলার অন্যান্য বাজারে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিশ্বকর্মা পুজোর কয়েকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় ফলমূল প্রতিমা ও পূজার অন্যান্য উপাচার কেনাকাটা।

শারদোৎসবের আগে দুটো পয়সার মুখ দেখতেই মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে বাজারের অন্যান্য ছোটোখাটো ব্যবসায়ীরা এই দিনগুলির অপেক্ষায় থাকেন। কিন্তু এবছর করোনা দৈত্যের আতংকে বালুরঘাটের বাজারে মৃৎশিল্পীরা প্রতিমা বিক্রি করতে এসে মাছি মারছেন।

একই অবস্থা ফল ও দশকর্মা সামগ্রীর দোকানিদেরও। প্রতি বছর এই সময় বালুরঘাট বাজারে প্রতিমা কেনার জন্য ক্রেতাদের ধুম লেগে যায়। কিন্তু এই বছর বিশ্বকর্মা পুজোর একদিন আগেও পুজোর কেনাকাটায় ভিড় নেই। বুধবারেও আদতে বাজার জমে উঠবে কি না তা নিয়ে সন্দেহে দোকানিরা।

মৃৎশিল্পী প্রবীর পাল জানিয়েছেন যে, বাজারে দু’একজন ক্রেতা আসলেও খরচের অনেক কম দামে প্রতিমা বিক্রি করতে হচ্ছে। মাঝে মাত্র একদিন বাকি এখনো খদ্দেরদের সেই ভাবে দেখা না মেলায় চিন্তায় পড়তে হয়েছে বলে তিনি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।