কথায় বলে বাঙালির বারোমাসে তেরো পার্বন। কথাটা যে কতখানি সত্যি তা একবারে নিশ্চিত করেই বলতে পারি আমরা সবাই। হুজুগে মাতাল বাঙালির একটা উৎসব যায় তো আরেকটা কড়া নাড়ে দরজায়। তবে সব উৎসব যে সামাজিক হতে হবে তা কিন্তু নয়। এরমধ্যে রয়েছে পারিবারিক উৎসবও। সারা বছরই আমাদের প্রায় সকলেরই দু-চারটে ছোটো বড় নিমন্ত্রণ লেগেই থাকে। অনেক অনুষ্ঠানে যেতে না ইচ্ছা করলেই ভদ্রতার খাতিরে কর্তব্য করতে যেতেই হয়। তবে উৎসব প্রিয় মানুষ হিসেবে আমরা যেকোনও ধরনের আনন্দ অনুষ্ঠানে জমিয়ে মজা করি।

আর মজা হই হুল্লোড় করবেনই বা না কেন? কাছের মানুষের হোক বা বন্ধুর যেকোনও বিশেষ অনুষ্ঠান যে জীবনে একবারই আসে। তবে শুধু নিমন্ত্রণ বাড়ি গিয়ে কব্জি ডুবিয়ে খেলাম আর মজা করে চলে আসলাম তা কিন্তু হয় না। উৎসবের মরশুমে নিমন্ত্রণ বাঁধলে সবার আগে আমাদের মাথায় যেটা আসে তা হল গিফটের চিন্তা। কারণ, আজকের যুগে গিফট ছাড়া অনুষ্ঠান বাড়ি যাওয়া বড্ড বেমানান। আর এখানেই বাধে যত সমস্যা।

 

একদিকে যেমন পকেট বাঁচিয়ে জিনিস কেনার চিন্তা। আবার গিফটটা অপর জনের পছন্দ হবে কিনা তা নিয়েও দ্বিধায় ভোগেন অনেকেই। তবে হাল আমলের চিন্তা ভাবনা ছেড়ে শাড়ি, কাঁচের বাটির বদলে অনুষ্ঠান বাড়িতে নিয়ে যান একটু আলাদা ধরনের উপহারের বাক্স। কারণ, এই গিফটের উপরও কিন্তু নির্ভর করে আপনার ব্যক্তিত্ত্ব, রুচিবোধ। তাহলে আর দেরি কেন? প্রিয়জনের বিশেষ দিনে অনুষ্ঠান বাড়িতে নিয়ে যান একটু অন্যধরনের গিফট। দেখবেন সবাই তারিফ করবে আপনার দেওয়া উপহারের।

অনুষ্ঠান বাড়িটি যদি প্রিয়জনের জন্মদিনের হয় তাহলে আপনি চাইলে উপহারের তালিকায় রাখতে পারেন এই জিনিস গুলি….

1:- ফটো প্রিন্টেড ওয়াল ক্লক – প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো নানা মুহুর্তের ছবি ওয়াল ক্লকের সঙ্গে বাঁধিয়ে তা গিফট হিসেবে দিতে পারেন। এই ধরনের গিফট আপনাদের সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করবে। মনে করিয়ে দেবে অতীতের সুন্দর সুন্দর মুহুর্তের কথা।

 

2:- এলইডি নাইট ল্যাম্প – ঘরোয়া পার্টি, হই হুল্লোড় বা একান্তে সময় কাটানোর জন্য এই ধরনের ল্যাম্প গুলি দারুন কাজে দেবে আপনার প্রিয়জনের। চোখ বন্ধ করে দিতে পারেন এই ধরনের সুন্দর উপহার।

 

3:- শো পিসের সেট – প্রিয়জন যদি একটু ধার্মিক প্রকৃতির মানুষ হন তাহলে তাঁকে হামেশাই সুন্দর সুন্দর কারুকাজ করা গনেশ, বুদ্ধদেব, বা অন্য কোনও মণীষীর মূর্তি গিফট হিসেবে দিতে পারেন।

4:- পারফিউমের সেট- আপনার প্রিয়জন যদি সৌখিন ব্যক্তি হন বা সাজগোজ করতে খুব পছন্দ করেন তাহলে গিফট বক্সে নানা ধরনের পারফিউম উপহার দিতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।