স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি ও জলপাইগুড়ি: যথাযথ মর্যাদায় স্বামীজির ১৫৭ তম জন্ম দিবস পালন করা হয় বীরভূম ও জলপাইগুড়িতেও৷ সিউড়ি চৈতালি মোড়ে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়াও বেনীমাধব ইন্সটিটিউশনের প্রবেশদ্বারে স্বামীজির ধ্যানস্থ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করা হয়।

সিউড়ির বিবেকানন্দ পাঠাগারে মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সেখানে সংগীত ও কবিতা পাঠের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বামী বিবেকানন্দের জীবনের নানাদিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের বক্তৃতায় তুলে ধরেন। স্বামীজির আদর্শ ও বাণীকে ছড়িয়ে দিতে সিউড়ি একটি বেসরকারি স্কুলের পক্ষ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এই পদযাত্রায় স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা কেউ স্বামী বিবেকানন্দ, কেউ রামকৃষ্ণ দেব, কেউ সারদা মা, কেউ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু সেজে পদ যাত্রায় পা মেলায়৷

এছাড়াও অখিল ভারতী বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকেও স্বামীর জন্মদিনকে সামনে রেখে একটি বাইক ব়্যলিরও আয়োজন করা হয়৷ সিউড়ি ১ এর পল্লী মোড় থেকে ব়্যলিটি বের হয়ে সিউড়ি শহর পরিক্রমা করে শেষ হয়। পাশাপাশি দুবরাজপুর পুরসভার পক্ষ থেকে একটি পদ যাত্রা করা হয়৷ দুবরাজপুর শহর তৃণমূলের উদ্যোগেও বিবেক চেতনা যাত্রাও বার করা হয়৷

অন্যদিকে, স্বামী বিবেকান্দের জন্মদিন উপলক্ষে জলপাইগুড়ি সদর ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। অঙ্কনের বিষয় ছিল স্বামী বিবেকানন্দ। ট্রাফিক অফিসের দেওয়াল জুড়ে শহরের স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা অঙ্কন প্রতিযোগিতা করেন। মোট ১৩টি স্কুলের পড়ুয়ারা অংশ গ্রহণ করে এই প্রতিযোগিতায়। এদিন সকাল থেকেই রঙ ও তুলি নিয়ে পড়ুয়ারা দেওয়ালে অঙ্কনে সামিল হয়। প্রতিটি স্কুলের পক্ষ থেকে তিন চার জন করে দল তৈরি করে অঙ্কন প্রতিযোগিতায় সামিল হয়। প্রথম হয় রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় হয় ফনীন্দ্রদেব বিদ্যালয়, ও যুগ্মভাবে তৃতীয় হয় মারয়ারী বালিকা বিদ্যালয় ও অনুভব হোম। বিশেষ পুরস্কার হিসেবে বেছে নেওয়া হয় হোলি চাইল্ড স্কুলকে।

ট্রাফিক ওসি শান্তা শীল বলেন, যুব সমাজকে স্বামী বিবেকান্দের বিষয়ে ও তার বানী সকলের কাছে তুলে ধরতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা। পুলিশ সুপারের নির্দেশে ট্রাফিক অফিসের দেওয়ালে জুড়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। সকলের জন্য পুরস্কার রাখা হয়।