ফাইল ছবি।

কলকাতা: এমনটা সাম্প্রতিক অতীতে কখনও শহরের চিড়িয়াখানায় হয়েছে বলে খুব একটা কেউ মনে করতে পারছেন না। কিন্তু এবার সেটাই ঘটল। আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে জাল কেটে বিরল প্রজাতির বিদেশি পাখি চুরির অভিযোগে সরগরম চিড়িয়াখানা।

আরও পড়ুন – অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা, নিজেই স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ ওয়াটগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চুরি যাওয়া পাখিগুলোর মধ্যে রয়েছে কিল, বিল, টাওসেন। এই পাখিগুলো ভেনেজুয়েলা এবং মেক্সিকোতে পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। এগুলি অত্যন্ত বিরল ধরনের পাখি।

গতকাল মধ্য রাতে পাখিগুলো চুরি করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পাখিগুলি যে খাঁচায় রাখা হয়েছিল ৷ সেই খাঁচার একটা দিক কেটে পাখিগুলি চুরি করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে চোরের সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে।

পুলিশ সূত্রে খবর, কাল চিড়িয়াখানা বন্ধ হওয়ার সময় দর্শনার্থীদের মধ্যে কেউ কৌশলে ভেতরে থেকে যায়। সেই রাতের অন্ধকারে জাল কেটে পাখিগুলো চুরি করে নেয়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষর অভিযোগের ভিত্তিতেবতদন্ত শুরু করেছে ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন – রামমন্দিরের জন্য মানত, মাথাতেই সবজির চাষ করেছেন সাধু

অন্য একটি সূত্র বলছে, চিড়িয়াখানার পাশের অরফ্যানগঞ্জ রোডের দিক থেকে একটা মই উদ্ধার করা হয়েছে। সেখান থেকেও অপরাধীরা এসে চুরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। মাত্র কিছুদিন আগেই ওই পাখিগুলিকে আলাদা খাঁচায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু তার পরেই চুরি। তবে গোটা ঘটনার জোরকদমে তদন্ত চালানো হচ্ছে। ওয়াটগঞ্জ থানাকে তদন্তে বিশেষ সহায়তা করছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে চিড়িয়াখানার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ।

উল্লেখ্য, করোনার জেরে আগের বছর দীর্ঘ সময় চিড়িয়াখানা বন্ধ ছিল। ২ অক্টোবর প্রায় সাত মাস পরে খোলে আলিপুর চিড়িয়াখানা। চালু হয় অনলাইন টিকেটিং সিস্টেমও। অন্যদিকে বার্ড ফ্লু দেখা দেওয়ায় তা নিয়েও জারি করা হয়েছিল চূড়ান্ত সতর্কতা।

আরও পড়ুন – কোকেনকাণ্ড: পামেলা-রাকেশকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা, উদ্ধার অডিও ক্লিপ

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.