নয়াদিল্লি: করোনার মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বার্ড ফ্লু৷ ১১ রাজ্যে দেখা গিয়েছে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ৷ মুরগি ছাড়াও বিপুল পরিমাণে হাঁস, কাক এবং পায়রার মৃত্যু হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দিল্লির চিড়িয়াখানায় ব্রাউন ফিস প্যাঁচার শরীরেও বার্ড ফ্লুর জীবানু মিলেছে৷ বিভিন্ন প্রাজাতির পাখির মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে৷ হাঁস বা মুরগির মাংস বা ডিমের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে এই রোগের বিস্তার নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন৷ যা পোল্ট্রি শিল্পকেও ব্যাপক ভাবে আঘাত করেছে৷

অ্যাভিয়ান (পাখি) ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) বা বার্ড ফ্লু এক ধরনের ভাইরাস৷ এই ভাইরাস বন্য পাখিদের মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবেই দেখা যায়৷ এই ভাইরাস হাঁস-মুরগি বা যে কোনও প্রাণীর মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে৷ একটি মুরগি থেকে অন্য মুরগি বা যে কোনও প্রাণীর মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ বহু পাখি বার্ড ফ্লুতে মারা যায়৷ এমনকী পাখি থেকে এই ভাইরাস মানব দেহেও সংক্রমিত হতে পারে৷

অ্যাভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে বেশ কিছু পদক্ষেপ মেনে চলা উচিত৷ এই ভাইরাস আগুনের তেজে নষ্ট হয়ে যায়৷ তাই ৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় মরগি বা হাঁসের মাংস রান্না করা হলে এই ভাইরাস মরে যাবে৷ থার্মোমিটার না পাওয়া গেলে মাংস লাল না হওয়া পর্যন্ত রান্না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে৷

অ্যাভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ফ্রিজের মধ্যেও বেঁচে থাকতে পারে৷ ঠা্ন্ডার মধ্যে বেঁচে থাকে বার্ড ফ্লুর ভাইরাস৷ যারা হাঁস-মুরগির মাংস হাত দিয়ে ধরছেন, তাঁদেরও ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া উচিত৷ দোকানও স্যানিটাইড করা উচিত বলে নির্দেশিকা হু-এর৷

বার্ড ফ্লুর লক্ষণ কি? বার্ড ফ্লুর প্রধান লক্ষণ হল জ্বর, সর্দি-কাশি, মাথ যন্ত্রণা৷ সেই সঙ্গে গলা ফোলা, মাংস পেশিতে ব্যাথা, পেটের সমস্যা, চোখে ইনফেকশন এবং পেটের সমস্যা দেখা দেয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।