নয়াদিল্লি: যেভাবে বার্ড ফ্লু নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে তার প্রেক্ষিতে সতর্ক করার পাশাপাশি আশ্বাস দিল ফুড সেফটি স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফ এস এস এ আই)। যারা পোলট্রিতে কাজ করেন তারা যেন মাস্ক, গ্লাভস ব্যবহার করে যাতে সরাসরি মাংস স্পর্শ না করে। অন্যদিকে জানানো হয়েছে ঠিকমতো রান্না করে মাংস বা ডিম খেলে তা নিরাপদ। তবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আধ সেদ্ধ বা হাফ বয়েলড ডিম অথবা আধা রান্না করা মাংস খেতে নিষেধ করা হয়েছে।

ফুড সেফটি স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে,‌ হরিয়ানা মহারাষ্ট্র মধ্যপ্রদেশ কেরালা ছত্রিশগড় পাঞ্জাবে পোলট্রি পাখিদের মধ্যে বার্ড ফ্লু দেখা গিয়েছে। তবে তা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বরং সতর্কতা ও বিধি নিয়ম মানলে হাস-মরগির মাংস ডিম খেতে অসুবিধা নেই।

এই বিষয়ে নিয়ামক সংস্থার পরামর্শ, আধসিদ্ধ বা হাফ বয়েলড ডিম একেবারেই খাওয়া যাবে না। ভালো করে রান্না করে নিয়ে হাস মুরগির মাংস খাওয়া যাবে। অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে বার্ড ফ্লু হয়। সেক্ষেত্রে ভালো করে সিদ্ধ এবং রান্না করে নিলে ওই ডিম বা মাংসে থাকা ভাইরাস নষ্ট হয়ে যাবে। যেসব জায়গায় বার্ড ফ্লু প্রকোপ রয়েছে সেখানকার মানুষ কখনও আধ সেদ্ধ ডিম এবং মাংস যেন না খায়।এফ এস এস এ আই জানিয়েছে, সংক্রমিত এলাকায় ভালোভাবে রান্না করা মাংস বা ডিম খেয়ে কেউ অসুস্থ হয়েছে বলে কোনও খবর আসেনি।

এছাড়া কাঁচা মাংস ফেলে রাখা অথবা অন্য কোন কিছুর সংস্পর্শে রাখা যাবে না বলে পরামর্শে জানিয়েছে
এফএসএসএআই। তাছাড়া সংক্রমণ এড়াতে ওইসব পোলট্রি পাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। খোলা হাতে মৃত পাখি স্পর্শ করতে বারণ করা হচ্ছে। তাছাড়া কাঁচা মাংস নাড়াচাড়া বা হস্তান্তরিত করার সময় মাস্ক, গ্লাভস ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। কাঁচা ডিম এবং মাংস হাতে নেওয়ার আগে পরে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা উচিত। মুরগির কাটা মাংস যেখানে রাখা হয় সেই সব জায়গা ঠিকমতো স্যানিটাইজার করে পরিষ্কার করা দরকার। একই রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত যা দিয়ে মাংস কাটা হচ্ছে সেই সব জিনিসের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।