নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে হু হু করে বাড়ছে বার্ড ফ্লু। কিন্তু যেভাবে কালিং চলছে, তাতে গাইডলাইন মানা হচ্ছে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

বার্ড ফ্লু যাতে ছড়িয়ে না যায় তার জন্য একাধিক পোলট্রিতে মুরগিগুলিকে পৃথকীকরণ করা হচ্ছে। আরও বহু মুরগীকে পৃথকীকরণ করার চেষ্টা চলছে। আর তা থেকেই ঝুঁকি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

বার্ড ফ্লু একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-এ ভাইরাসের কারণে ছড়িয়ে পড়ে। একে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাও বলা হয়। হু-এর একটি রিপোর্ট বলছে H5N1 সংক্রামিত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রায় ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ এই রোগে মৃত্যুর হার করোনার ভাইরাসের চেয়ে বেশি।

বার্ড ফ্লু আতঙ্কে কিছুটা কমেছে চিকেন বিক্রি। ব্যবসায়ীর দাবি,মোবাইল জার্নালিজমের ফলে, অনেক সময় ভুল তথ্য খবর হিসাবে প্রকাশ হচ্ছে।যার ফলে গুজব ছড়িয়ে পড়ছে।প্রতি বছর মুরগি ও মুরগির ডিমের ওপর এই ধরনের আঘাত নেমে আসে।যার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ,মুরগি চাষীরা। এমনও হয়েছে,ক্ষতির ধাক্কা শোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে চাষীরা।

সাধারণ মানুষকে বার্ড ফ্লু সম্পর্কে সচেতন করার কাজও শুরু হয়েছে। পাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। পাখির মল, লালা, নাক-মুখ বা চোখ থেকে নির্গত পদার্থ থেকে এটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ডিটারজেন্ট দিয়ে ছাদে রাখা ট্যাঙ্ক, রেলিংগুলি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ছোট হাতের জামা না পড়ে ফুলহাতা জামা পড়া উচিৎ। এতে পাখির মলের সঙ্গে সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা অনেক কম।

দোকান থেকে মুরগীর মাংস কেনার পরে ধোওয়ার সময় অবশ্যই হাত এবং মুখে গ্লাভস পড়তে হবে। কাঁচা মাংস বা ডিমও কোনও মানুষকে সংক্রামিত করতে পারে। হাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিৎ।প্রায় ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মুরগি রান্না করতে হবে। কাঁচা মাংস বা ডিম খাওয়ার ভুল করবেন না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাস তাপের সংবেদনশীল এবং রান্নার তাপমাত্রায় নষ্ট হয় বলে মনে করা হয়।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.