স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের প্রার্থন করে মহাবিজয় যজ্ঞ করলেন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বুধবার সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম পীঠ কঙ্কালীতলা মন্দিরে এই মহাবিজয় যজ্ঞ করেন তিনি। অনুব্রত জানিয়েছেন, যজ্ঞের পর মায়ের কাছে ২২০টি আসন চেয়েছেন তিনি৷

কখনও তারাপীঠে, কখনও কঙ্কালীতলায়- নানান সময় দল এবং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলের জন্য মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেছেন অনুব্রত মণ্ডল৷ করেছেন যজ্ঞও৷ একুশে ক্ষমতায় ফিরতে এবারও শক্তির আরাধনার আয়োজন করলেন বীরভূমের এই দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা৷ বুধবার মহা ধুমধাম করে যজ্ঞের আয়োজন করেন অনুব্রত। সেই যজ্ঞে ১ কুইন্টাল ৫১ কেজি কাঠ ও ৪৫ কেজি ঘি ব্যবহার করা হয় ৷ এদিন বেলায় যজ্ঞস্থলে পৌঁছে প্রথম খই আহুতি দেন অনুব্রত। ১১ জন পুরোহিত যজ্ঞে অংশগ্রহণ নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলার নেতারাও। ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন প্রায় চার হাজার মানুষের খাওয়া-দাওয়ারও আয়োজন করা হয়। যজ্ঞ স্থান থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ‘বিজেপির কাছে হিন্দুত্ব শিখতে হবে নাকি? আমি নিজেই হিন্দু। আমার বাড়িতে দুর্গাপুজো হয় ৷ আমি বিজেপিকে দল বলেই মনে করি না। যে দল মানুষের উপকার করে না, একটা চাকরি দেয় না, সেটা আবার দল নাকি!’ তিনি বলেন, বীরভূমের ১১টি আসনের মধ্যে ৯টি আসন তৃণমূলের দখলে। বাকি ২টি আসনেরও দখল নেবেন তাঁরা। যজ্ঞ শেষে প্রার্থনাও করেন অনুব্রত। আরাধ্য দেবীর কাছে কী চাইলেন? জবাবে তিনি বলে, ‘‘মায়ের কাছে যা চেয়েছি পেয়েছি। ২২০ টি আসন চাইলাম। সেটাও দেবে মা।’’

কঙ্কালীতলায় কালীর আরাধনা, মূলত শক্তি সাধনা হিসাবেই পরিচিত। বুধবারের যজ্ঞে অবশ্য শক্তি মন্ত্র এবং ঢাকের বাদ্যের সঙ্গে শোনা গিয়েছে কীর্তনের বোল-ও। শাক্ত-বৈষ্ণব মিলেমিশে একাকার। একুশের ‘মহাযুদ্ধ’ জয়ের প্রার্থনা সারতে এ দিন সব পথই খোলা রাখলেন অনুব্রত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।