নয়াদিল্লিঃ  গত কয়েকদিন ধরেই বিপ্লব মিত্রের বিজেপিতে যোগদানের বিষয়ে জল্পনা চলছিলই। অবশেষে আজ সোমবার সদলবলে তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর রাজনৈতিক জল্পনা। শুধু তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতিই নয়, বিপ্লব মিত্রের সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ ১২ জন সদস্য এবং গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলারও। ফলে বিপ্লব মিত্র বিপ্লব মিত্র যোগদান করলে উত্তরবঙ্গে শাসকদল তৃণমূলে বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মত রাজনৈতিকমহলের। শোনা যাচ্ছে, বিপ্লব মিত্রের সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তাঁর বহু অনুগামী।

সূত্রের খবর, বিপ্লব মিত্র সহ একঝাঁক এই তৃণমূল নেতা-নেত্রী এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন। এদিন যে কোনও সময়ে তাঁরা সদলবলে জার্সি বদল করতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। এই দলবদলের জেরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় জেলা পরিষদ, গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর পুরসভা সহ একাধিক পঞ্চায়েত সমিতিও তৃণমূলের হাতছাড়া হতে পারে। যা অবশ্যই শাসকদলের কাছে বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখা হচ্ছে। যদিও তা মানতে নারাজ শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। নেতৃত্বের পালটা দাবি, ‘গদ্দার’রা বেরিয়ে গেলে আগামী বিধানসভার আগে দল স্বচ্ছ হবে আর আরও ভালো ফল করবে।

অন্যদিকে, বিপ্লব মিত্র তৃণমূল ছাড়তে পারেন। জেলায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন অর্পিতা ঘোষ। সমস্ত পুরানো নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তাঁরা। নতুন ভাবে কীভাবে দলকে দক্ষিণ দিনাজপুরের মাটিতে শক্তিশালী করা যায় তা নিয়েই মূলত রণকৌশল তৈরি করতেই এই বৈঠক ডাকা হয় এবং আলোচনা হয়।

আরও জানা যাচ্ছে বিপ্লব মিত্র বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁকে নেতৃত্ব ‘বড়’ কোনও পদ দিতে পারে। যদিও এই বিষয়ে সম্পূর্ণ স্পিকটি নট বিপ্লব মিত্র। অর্পিতা ঘোষ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পিছনে বিপ্লব মিত্র রয়েছেন। তিনি দলত্যাগ করলে আমাদের কোনও ক্ষতি হবে না। যাঁরা ব্যক্তিগত স্বার্থে দলের ক্ষতি করেন, তাঁরা থাকার চেয়ে না থাকাই শ্রেয়।