শংকর দাস, বালুরঘাট: তিনিই দলের সেনাপতি। তিনিই একদা লাল দূর্গ বলে পরিচিত দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলের সংগঠন মজবুতকারী চাণক্য। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিপ্লব মিত্র। প্রতিবেশী ও জেলার কর্মী সমর্থকদের কাছে যিনি মেজদা নামেই পরিচিত।

বলা হয়, বিপ্লব মিত্রের প্রচার রণকৌশলে ২০১৪ সালে বালুরঘাট কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ এক লক্ষেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এবারেও অর্পিতা ঘোষকে প্রার্থী করেছে দল। এবারেও দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব দল সেনাপতির কাঁধেই। সকাল থেকে রাত অবধি জেলার একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে গিয়ে অর্পিতার সমর্থনে প্রচার যেমন সারছেন। তেমনি কর্মী সমর্থকদের নিয়েও প্রতিদিন বহু কর্মীসভাও করতে হচ্ছে তাঁকে।

এরই মধ্যে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্বাচনী সভার প্রস্তুতিরও দেখভাল করতে হচ্ছে। শুধু দেখভাল করেই তিনি ক্ষান্ত নন। মঞ্চ তৈরী থেকে শুরু করে সভায় আগত সাধারণ মানুষের যাতে কোনরূপ সমস্যা না হয় সেই দিকগুলিও ত্রুটিমুক্ত করতে তিনি নিজেই সবকিছু তদারকি করছেন।

এবার বালুরঘাট আসনে অর্পিতা ঘোষের হয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় মোট চারটি সভা করবেন। যার প্রথম দুটি হবে ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে। বুনিয়াদপুরের নারায়ণপুর এলাকার মাঠে শুরু হয়েছে সভামঞ্চ তৈরীর কাজ। সারাদিনে কুড়িটিরও বেশি নির্বাচনী সভা ও কর্মী বৈঠক করার মাঝেও দিনের বিভিন্ন সময় বিপ্লব মিত্র সোজা গিয়ে হাজির হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর নির্মীয়মান সভামঞ্চের মাঠে।

সোমবার তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন যে ১৬ ও ১৯ এপ্রিল মমতা বন্দোপাধ্যায় মোট চারটি সভা করবেন। প্রত্যেকটি সভাতেই রেকর্ড সংখ্যক ভিড় করানোর চেষ্টা তাঁদের রয়েছে। শুধু সমাবেশই নয় প্রত্যেকটি সভা যাতে ত্রুটিমুক্ত হয় সেই দিকেও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে। পাশাপাশি সভায় আসা মানুষগুলির যাতায়াত থেকে শুরু করে পানীয় জল কোন কিছুতেই যাতে কেউ কোন সমস্যায় না পড়েন, সেই দিকটাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।