কলকাতা: প্রত্যাশিতভাবেই বিজেপি তাদের স্টার প্রচারক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে নামিয়েছে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে। বেফাঁস মন্তব্যের কারণে তিনি বিতর্কিত। মঙ্গলবার বিপ্লববাবু প্রচার করেন উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায়।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী নিজ রাজ্যে বিজেপির শাসনে উন্নয়নের কথা তুলে ধরছেন। অথচ তাঁকে তাড়া করেছে বেরোজগারি সূচকে ত্রিপুরার করুণ হাল। রাজ্যভিত্তিক বেকারত্বের পরিসংখ্যান দেওয়া CMIE রিপোর্ট বলছে, এই মুহূর্তে দেশে বেকারত্বের তালিকায় ত্রিপুরা দ্বিতীয় স্থানে (১৮.১ শতাংশ)। এই তালিকায় প্রথম জম্মু ও কাশ্মীর (২১.৯ শতাংশ)।

বেকারত্বের সূচকে ত্রিপুরা দেশের দ্বিতীয় অথছ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব উন্নয়নের বাক্যবাণে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রবল সমালোচনা করছেন। বিপ্লববাবুর দাবি, বিজেপির আমলে অপরাধ সূচকে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে ত্রিপুরা।

নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ত্রিপুরা। এই রাজ্যে গত বিধানসভা ভোটে টানা দু’দশকের বেশি বামফ্রন্ট ক্ষমতা থেকে সরে যায়। মুখ্যমন্ত্রী হন বিপ্লববাবু। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিআইএম পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার সম্প্রতি প্রচারে আসেন রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমানের সদর শহর বর্ধমানের জনসভায় তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের যে কেউ একবার ত্রিপুরায় আসুন, রাস্তায় কাউকে জিজ্ঞেস করুন কেমন আছেন, তারা বলে দেবে শুধু পরবর্তী ভোটের অপেক্ষা করছি। বাংলার জনগণের কাছে অনুরোধ, ত্রিপুরার মতো বিজেপির বিষ গলায় নেবেন না।

মানিক সরকারের এই ভাষণের পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোড়ন। খোদ মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ত্রিপুরার এক্স সিএম মানিকবাবুর কথা শুনুন, বিজেপির আসল রূপ বুঝতে পারবেন। যদিও বর্ধমানের জনসভা থেকে মানিক সরকার বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও বিজেপির দ্বন্দ্ব আসলে ভাঁওতা। বামপন্থী সরকার গড়ে উন্নয়নের পথে আসুক বাংলাবাসীরা।

মানিক ফিরতেই বাংলায় হাজির বিপ্লব। ত্রিপুরায় বিজেপির অন্দরমহলে তাঁকে নিয়ে প্রবল ক্ষোভ রয়েছে বিধায়কদের মধ্যে। বারবার স্লোগান উঠেছে ‘বিপ্লব হটাও’। সম্প্রতি বিপ্লব দেব বলেন, অমিত শাহের নেতৃত্বে বিজেপি নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকার গড়বে। তাঁর মন্তব্যের জেরে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিব্রত সরকার। দুই দেশ ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিপ্লব দেব সোমবার আগরতলা থেকে কলকাতা পৌঁছান। মঙ্গলবার তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিজেপি সূত্রে খবর, আরও কয়েকটি প্রচার অভিযানে অংশ নেবেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।