কলকাতা: টলিউডে রাজনীতির ছায়া পড়তে শুরু করেছে বেশ কিছুদিন ধরেই। বিশেষ করে রাজ্যে বিজেপি ভাল ফল করার পর থেকেই টলিউডের আধিপত্য বিস্তার করতে উন্মুখ গেরুয়া শিবির। এবার জল্পনা উস্কে দিয়ে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে বৈঠক করলেন অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়।

বরাবরই বামপন্থায় বিশ্বাসী হিসেবেই পরিচিত এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। বিজেপি সূত্রে খবর, এবার তিনি থাকবেন বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদের বিশেষ পদে। আর টলিউডের এই সংগঠনে বিজেপির প্রভাব বেশি বলেই জানা যায়। তাই বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে শঙ্কু পণ্ডার বৈঠক নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা।

তিনি এই সংগঠনের পরামর্শদাতা কমিটিতেও থাকতে রাজি হয়েছেন। তাঁর এই সক্রিয় অংশগ্রহণের পর বাম মনোভাবাপন্ন অভিনেতা অভিনেত্রীরা এই সংগঠনের যোগ দেবেন বলে অনেকেই ধরে নিচ্ছেন।

বাংলায় লোকসভা ভোটের যুদ্ধে এবার চরম দাপট দেখানোর পর টলিউডে বিজেপি নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা যায়, দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায় রীতিমতো আলাদা আলাদা শিবিরে অগ্নিমিত্রা পল ও শঙ্কুদেব পণ্ডাকে টলিউডের ময়দানে নামিয়েছেন টলিউডে গেরুয়া আধিপত্য বিস্তার করতে।

এর আগে অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, বহু মন্ত্রী ও নেতারা বিভিন্ন সময়ে টলিউের ওপর নিজেদের দাপট খাটিয়েছেন। আর নিজেদের সুবিধার জন্য কেবলমাত্র দিনের পর দিন ইন্ডাস্ট্রিকে ব্যবহার করেছেন।
তবে কোনও সংগঠনেরই রাজনৈতিক ছাতার তলায় আসা উচিত হবে না বলে মনে করেন বিজেপির আরও এক নেত্রী তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

কিছুদিন আগেই ঋমঝিম মিত্রা ও পর্নো মিত্রের সঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় সংগঠন সম্পাদক রামলালের বৈঠক হয়। ফলে এই দুই অভিনেত্রীর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে ইতিমধ্যেই। আর এর পিছনে অগ্নিমিত্রার হাত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও