স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিমল গুরুংয়ের আত্মপ্রকাশ পরবর্তী পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে পাহাড়ের দুই নেতা বিনয় তামাং ও অনিত থাপাকে নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিলেন বিনয় তামাং।

পুজোর মুখে পঞ্চমীর সন্ধ্যায় প্রায় তিন বছরের অজ্ঞাতবাস থেকে প্রকাশ্যে আসেন প্রাক্তন গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেসন (জিটিএ) প্রধান এবং মোর্চা নেতা বিমল গুরুং। বিজেপি-র সঙ্গে দীর্ঘদিনের সঙ্গ ত্যাগ করার কথা ঘোষণা করে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরার কথা বলেন।

এরপর নবমীর দিন থেকে দার্জিলিং, পরে কালিম্পং ও কার্শিয়ং জুড়ে একের পর এক মিছিল করেন বিনয় অনুগামীরা। সেই মিছিলে ওঠে গুরুং বিরোধী স্লোগান। এদিনও সকাল ১১টা নাগাদ দার্জিলিং শহরে মিছিল করেন বিনয় অনুগামীরা। তাঁদের দাবি, পাহাড়ে শান্তি ফেরাতেই এই মিছিল।

পাশাপাশি, গুরুঙ্গের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের বিরোধিতাও করা হয়। পাল্টা মিরিকে বিনয়দের বিরুদ্ধে বৈঠক করেন গুরুঙ্গপন্থীরা। এদিন নবান্নে প্রায় আধঘন্টা ধরে চলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিনয় তামাংয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও জিটিএ চেয়ারম্যান অনিত থাপাও। তবে ছিলেন না বিমল গুরুং বা রোশন গিরি।

বৈঠক শেষে কোনও পক্ষই কোনও সাংবাদিক বৈঠক না করলেও বিনয় তামাং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় জানিয়েছেন বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, তামাং ও থাপাকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে যে, পাহাড়ে প্রশাসনিক স্তরে তাঁদেরকে সরিয়ে দেওয়ার কোনও চিন্তাভাবনাই নেই।

এমনকি গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও মামলাও প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। তবে রাজ্য সরকার পাহাড়ে শান্তি চায়, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। তাই বিনয় তামাং বা অনিত থাপারা এখন এমন যেন কোনও কাজ না করেন যাতে সেই কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য, এদিনের বৈঠক শুরুর আগেই বিনয় বলেছেন, ‘‘বিমল গুরুং একটা পলিটিক্যাল ক্রিমিনাল। ১৬৭টি কেস চলছে। সেই কেস আগে মেটাক। তারপর বাকি কথা হবে। নিজের ছাড়া কিছু বোঝে না। ২০১০ সালে বলেছিল গোর্খাল্যান্ড না হলে গুলি করব নিজেকে। আজ অবধি করেনি তো? এখন বলছে বিজেপি

২০১৭ সালের পরে খারাপ। বিহারে ভোট চলছে, লালু প্রসাদ যাদব তো জেলে আছেন।আইনকে সম্মান দিয়ে। তাহলে উনি বাইরে আছেন কেন? উনি কি লালু প্রসাদের থেকে বড়?”

তিনি আরও বলেন, “২০১৯ আর ২০২১ রাজনৈতিক অবস্থান দুটোই আলাদা। পাহাড়ের তিনটে আসন জিতবই। সাথে মাদারিহাট আর কালচিনি জিতব। বাকি আসনে ডুয়ার্সে আলাদা কমিউনিটি আছে। তারা ভোট দেবে। বিমল-রোশন নিজেদের সেফটির জন্য অবস্থান বদল করছে। বিমল বলছে ও টিএমসি সমর্থন করবে। টিএমসি তো কিছু বলেনি এখনও।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।