স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: মানুষের দাবি মেনে তৃণমূলের উচিত আগামী আট ও নয় জানুয়ারি ট্রেড ইউনিয়ন ধর্মঘটকে সফল করতে এতে অংশগ্রহণ করা৷ যদি তৃণমূল জনগনের দাবিদাওয়ার কথা মেনে ট্রেড ইউনিয়ন জোট ও বামেদের ডাকা ধর্মঘটকে সমর্থন করে, সেক্ষেত্রে আগামী উনিশে জানুয়ারি ব্রিগেড সভাকে সমর্থন সহ বাকি বিষয় ভাবা যাবে। বারাসাত এসে বনধের সমর্থনে প্রচার সারার ফাঁকে এমনই এক তাৎপর্যপূর্ন মন্তব্য করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু৷

বনধের সমর্থনে এদিন বিমান বসু বারাসতের হেলাবটতলা থেকে ডাকবাংলো মোড় হয়ে চাঁপাডালি মোড় পর্যন্ত বিশাল মিছিলের সঙ্গে প্রায় দু কিলোমিটার পায়ে হেঁটে প্রচার মঞ্চের সামনে পৌঁছন৷ সেখানেই সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন “ফেডারেল ফ্রন্টের গঠন করার কথা বলা হচ্ছে কেন্দ্রে বিজেপিকে সাহায্য করার জন্য। কেন্দ্রে আর রাজ্যে সর্বত্র গণতন্ত্রের ওপরে আক্রমন করা হচ্ছে। কোর্টের বিচার্য বিষয় নিয়ে নরেন্দ্র মোদী বলছেন, মসজিদের জায়গায় মন্দির হবে যা কিনা ভয়ঙ্কর ও সংবিধান লঙ্ঘন করার সামিল৷”

আরও পড়ুন : জনপরিষেবা বাড়ান, প্রশাসনিক বৈঠকে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিমান বসু জানান ‘২০১৮ র ২৬শে সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সর্বভারতীয় সমস্ত ট্রেড ইউনিয়ন ও সহযোগী সংগঠন বাইশ দফা দাবিকে সামনে রেখে ৮ ও ৯ জানুয়ারি ধর্মঘট ডাকা হয়েছে৷ শ্রমিকদের শ্রমদাসে পরিণত করা, কৃষকদের কৃষিপণ্যের দাম না পাওয়া, বেকারদের চাকরির প্রস্তাবিত সংস্থান না হওয়া সহ যে যে কেন্দ্রীয় নীতির বিরোধিতা করে ধর্মঘট ডাকা হয়েছে তা মানুষের কথা ভেবে৷ তাই তৃণমূলের ধর্মঘট সমর্থন করা উচিত৷’

এই প্রসঙ্গ টেনেই তিনি বলেন তৃণমূল এই দুদিন ব্যাপী ধর্মঘটকে সমর্থন করলে, মানুষের দাবিকে সমর্থন করলে, বামেদের তৃণমূলের ব্রিগেড সভাকে সমর্থন করার বিষয়টি নির্ভর করবে ও সেক্ষেত্রে সমর্থন করার বিষয়টি ভাবা যেতেই পারে৷ নিজের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান বিমান বসু৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও