স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: খোদ বিমান বসুও ধমক শুনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুধু তাই নয়, সেই ধমক শুনে আপ্লুত হলেন এবং প্রশয়ও দিলেন বয়সে ছোট মমতাকে। নবান্নের এই ছবি বিস্মিত করল বঙ্গ রাজনীতিকে। করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে যে আলোচনা হয়েছিল, তার অনেক কিছুরই বাস্তবায়ন হয়নি। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে মঙ্গলবার নবান্নে গিয়েছিল বামফ্রন্টের প্রতিনিধি দল। ওই প্রতিনিধি দলে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, মনোজ ভট্টাচার্যরা ছিলেন।

বামেদের দাবি ছিল, পরিযায়ী শ্রমিকদের যথাযথ চিকিত্সা, রেশন নিয়ে কালোবাজারি রোখা, প্রাথমিক চিকিত্সা কেন্দ্রে ফিভার ক্লিনিকের ব্যবস্থা করা। সূত্রের খবর, সদর্থক আলোচনা হয়েছে দুপক্ষের মধ্যে।

আশি ছুঁই ছুঁই বামফ্রন্ট চেয়ারম্যানকে কার্যত অভিভাবকের সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিমান দা, আপনি মাস্ক পরেন না কেন? বয়স হয়েছে তো আপনার। খুব সাবধানে থাকতে হবে আপনাকে।” মমতার কথা শুনে এক গাল হাসেন বিমান বসু। মুখ্যমন্ত্রী তারপর বলেন, “কোনও অসুবিধা হলে আমাকে জানাবেন।”

তারপরই আপ্লুত হয়ে বিমানবাবু মমতাকে বলেন, ‘তুমিও অনেক ছোটাছুটি করছ। তোমাকেও সাবধানে থাকতে হবে।’ রাজনৈতিক মঞ্চে কটূ কথা বললেও, বেশ কিছু সময় বিরোধীদের সৌজন্য দেখাতে কার্পণ্য করেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর আগে ২০১৪-র জুন মাসে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিমান বসুরা যখন নবান্নে গিয়েছিলেন তখন চা ও ফিসফ্রাই সহযোগে বিমান বসুদের আপ্যায়ন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বামেরাও পাল্টা সৌজন্য দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চা-ফিসফ্রাই খেয়েছিলেন। যা নিয়ে রাজনীতিতে কম জল ঘোলা হয়নি। তবে এদিন বাম নেতারা শুধু কাগজের কাপে লাল চা-ই খেয়েছেন। নতুন করে বিতর্ক এড়াতেই কী এবার শুধু লাল চা পান? এর উত্তর একমাত্র আলিমুদ্দিন স্ট্রিটই জানে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।