কলকাতা: কেন্দ্রে বিজেপি সরকার কৃষি বাজারের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ তুলে নিয়ে‌ কর্পোরেটদের হাতে দিয়ে দিচ্ছে তেমনি আবার এ রাজ্যের তৃণমূল সরকার বাজারকে বেসরকারি হাতে ছেড়ে দেওয়ার আইন করেছে এবং পাশাপাশি বাজারদরের নিয়ন্ত্রণের টাস্কফোর্সকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে। এমনই অভিযোগ তুলেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

তিনি মঙ্গলবার কামারহাটির দেশপ্রিয় নগরে শ্রমজীবী সবজি বাজারের উদ্বোধন করেন। সেখানেই তিনি এমন মন্তব্য করে কেন্দ্র-রাজ্য উভয়ই সরকারকে আক্রমণ করেন। তার বক্তব্য এই দুই সরকারের নীতিগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নেই, এরা উভয়েই কৃষক বিরোধী।

কামারহাটি দেশপ্রিয় নগরে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই শ্রমজীবী বাজার শুরু হয়েছে। তবে মঙ্গলবার এই বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সিপিএমের টেক্সম্যাকো দেশপ্রিয় নগর এরিয়া কমিটির মিলিটারি রোড নীলগঞ্জ রোডের সংযোগস্থলে দলীয় শাখা অফিস বিশু দাস ভবন প্রাঙ্গণে এই বাজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বাজার বসেছে ।

এদিন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর বাজারটি ঘুরে দেখেন বিমান বসু এবং কিছু সবজি কেনেন। বিমানবাবুর বক্তব্য, সরকারের যে কাজ করার কথা তা করছে না বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে বামপন্থী কর্মীরা সেই কাজ করতে এগিয়ে এসেছে।তিনি ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মানস মুখোপাধ্যায়।

এদিনও বিমান বসু বিজেপি সরকারের‌ কৃষি নীতির সমালোচনা করেন। এই সরকার যে ভাবে এগোচ্ছে তাতে করপোরেটরা ফসলের দাম নির্ধারণ করবে বলে তার অভিযোগ। তাছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস থেক
চাল ডাল পিঁয়াজ ইত্যাদি বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও এদিন তিনি কটাক্ষ করেন বিজেপি সরকারকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।