নয়াদিল্লি: গোটা বিশ্বে কাঁপুনি ধরিয়েছে করোনা। প্রতিষেধকের আশায় চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছেন গোটা পৃথিবীর মানুষ। ২০২১ সালের মধ্যেই করোনার ভ্যাক্সিন বাজারে আনার তৎপরতা তুঙ্গে। ভারত-সহ সব উন্নয়নশীল দেশগুলিতে পৌঁছে দিতে হবে করোনার ভ্যাক্সিন।

এবার এই তৎপরতায় সামিল ধনকুবের বিল গেটস। ১০ কোটি করোনার টিকা তৈরির জন্য বিল অ্যান্ড মেলিন্দা গেটস ও গাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স তৎপরতা নিয়েছে।

পুণের সেরাম ইন্সটিটিউটের হাতে ১৫ কোটি ডলার আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়েছে গাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের তরফে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনার ভ্যাক্সিনের ফর্মুলা অনুযায়ী টিকা বানাবে ভারতের পুণের সংস্থা সেরাম ইন্সটিটিউট। বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা সেরাম।

পুণের এই সংস্থাটি জানিয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্স নামের ভ্যাক্সিন দু’টির প্রতি ডোজের দাম ভারতীয় মুদ্রায় ২২৫ টাকার কাছাকাছি। তাঁদের তৈরি এই ভ্যাক্সিন বিশ্বের ৯২টি দেশে পৌঁছবে।

ভারত-সহ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে এই প্রতিষেধক দ্রুত পৌঁছে দিতে তৎপরতা নিচ্ছে বিল গেটসের সংস্থা। গাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সকে আর্থিক সাহায্য দিচ্ছে গেটস ফাউন্ডেশন।

সেই টাকা দিয়ে সেরামকে সাহায্য করছে গাভি। গরিব দেশগুলিতেও যাতে করোনার টিকা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যায় সেদিকে নজর রাখবে গাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স নামে এই সংস্থা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও