ওয়াশিংটন: বিয়ে ভাঙল মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের। ২৭ বছরে দাম্পত্য জীবন থেকে বিচ্ছেদ নিতে চলেছেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ঘোষণা করেন তাঁরা। তারপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ট্রেন্ডিং। অনেকেই তাঁদের বিচ্ছেদে শোক প্রকাশ করেছেন।

দুজনেই টুইটারে তাঁদের যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে বিল ও মেলিন্ডা জানিয়েছেন, স্বামী- স্ত্রী হিসেবে সম্পর্ক ভাঙছেন তাঁরা। যদিও বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে একসঙ্গে কাজ করবেন তাঁরা। যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা জানিয়েছেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছেন তাঁরা। কিন্তু হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও কোনও লাভ হয়নি। তাই সবশেষে তাঁরা কার্যত বাধ্য হয়েই সম্পর্ক ভাঙার পথ বেছে নিয়েছেন। কিন্তু তার প্রভাব কার্যক্ষেত্রে পড়বে না। বিবৃতিতে তাঁরা আরও বলেছেন, ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনে তিনজন সন্তান তাঁদের জীবন আলোকিত করেছেন। একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করেছেন তাঁরা। সেই ফাউন্ডেশনের জন্য তাঁরা একসঙ্গে কাজ করবেন। কিন্তু দম্পতি হিসেবে আর থাকবেন না তাঁরা। নতুন জীবনে শান্তি ও প্রাইভেসি যাতে থাকে তার জন্যও অনুরাগীদের কাছে আবেদন করেছেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস।

তবে বিবৃতিতে এ কথা বলা নেই যে কেন তাঁরা সম্পর্ক ভেঙেছেন। কিন্তু বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটসের সম্পর্ক ভাঙা যে অনুরাগীদের মন খারাপ করেছে তা বলাই বাহুল্য। বছর দুই আগে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং তাঁর স্ত্রী ম্যাক্সজেঞ্জির বিবাহ বিচ্ছেদ করে। ১৯৮৭ সালে মাইক্রোসফটের সঙ্গে যুক্ত হন বিল গেটস ও মেলিন্ডা। ১৯৯৪ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। তাঁদের ফাউন্ডেশন বিশ্বের অন্যতম ধনী সংস্থা। ম্যালেরিয়া, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, কৃষি গবেষণা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং স্যানিটাইজেশন সব একাধিক ক্ষেত্রে তাঁরা ৫৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছেন। তাঁদের বিচ্ছেদের খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ট্রেন্ডিং। অনেকেই এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন। নেটিজেনরা তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.