নয়াদিল্লি: বর্তমানে বিমানযাত্রীদের আকর্ষণ করতে নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়ে থাকে এয়ারলাইনসগুলি। কারও সিট একেবারে যেন সাজানো বেডরুম, কারও বিমানে ছোটখাটো বার। তবে, ‘ভিয়েতজেট’ নামে বিমান সংস্থা যাত্রীদের আকর্ষণ করতে একেবারে অন্য পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে তাদের উদ্যোগ। এই এয়ারলাইনসের মূল আকর্ষণ হল, বিকিনি পরিহিত বিমানসেবিকা। হ্যাঁ, ঠিকই দেখছেন। বিকিনি পরা এয়ারহস্টেস রেখে একেবারে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ভিয়েতনামের এই বিমান সংস্থা। এবার আরও একবার শিরোনামে সেই ‘ভিয়েতজেট’।

কারণ, খুব শীঘ্রই ভারত থেকে বিমান পরিষেবা দেবে এই এয়ারলাইনস। নয়াদিল্লি থেকে সরাসরি তারা বিমান ওড়াবে ভিয়েতনামের হো চি মিন শহর পর্যন্ত। গত বছর এই সংস্থা নয়াদিল্লি থেকে এই পরিষেবা দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু থমকে যায় সেই পরিষেবা। জানা যাচ্ছে, ফের ভিয়েত-জেট তাঁদের পরিষেবা চালু করতে চায় ভারত থেকে। একেবারে ফুলদমে। আর তাই এখন চলছে শেষ পর্যায়ের আলোচনা, এমনটাই জানাচ্ছে জাতীয় এক সংবাদমাধ্যম।

শুধু এয়ারহস্টেসই নয়। আরও চমক রয়েছে ভিয়েতজেটের। এই সংস্থা প্রত্যেক বছর মডেলদের ছবি ইয়ে একটি ক্যালেন্ডারও প্রকাশ করে। ভারত থেকে ভিয়েতনাম যাওয়ার কোনও সরাসরি বিমান নেই। তাই ভিয়েতজেটই এটা প্রথম করতে চলেছে। সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভারত থেকে যাত্রীদের সরাসরি ভিয়েতনাম নিয়ে যাওয়া হবে। এগুলি হবে নন-স্টপ ফ্লাইট। যাত্রীদের বিমান পরিবর্তন করার কোনও সমস্যা থাকবে না বলেও জানা গিয়েছে। বর্তমানে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ড হয়ে ভারত থেকে ভিয়েতনাম যেতে হয়। গত বছরখানেক আগে প্রথম বিকিনি ক্যালেন্ডার লঞ্চ করে সাড়া ফেলে দিয়েছিল এই সংস্থা। এরপর থেকেই এই সংস্থাকে ‘বিকিনি এয়ারলাইন’ বলা হয়।

এক মহিলা এই বিমান সংস্থার সূচনা করেছিলেন। তাঁরা এই বিকিনি ক্যালেন্ডার লঞ্চ করে থাকে। তবে এইসব মডেলরা কেউই বিমানসংস্থায় কাজ করে না। এমনকি অনেকেই ভিয়েতনামের বাসিন্দাও নন। অন্য দেশ থেকে ফটোশ্যুটের জন্য তাদের নিয়ে আসা হয়। এই ধরনের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে গত ছ’বছরে ব্যবসা অনেকটাই বাড়িয়েছে এই সংস্থা। বর্তমানে ভিয়েতনামের ডোমেস্টিক ফ্লাইটের ৪০ শতাংশ এই সংস্থা। ২০০২-তে তারা বিমানের মধ্যে একটি বিকিনি ফ্যাশন শো-ও করেছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I