তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : দীর্ঘ এক বছরের প্রতিক্ষা ও বিগত চারটি দিনের আনন্দ, উৎসব হৈ-হুল্লোড়ের মধ্য দিয়ে কেটে যাওয়ার পর দশমীর বিষাদের সুর দিকে দিকে।

আম বাঙ্গালীর মনে একটাই কথা ‘যেতে নাহি দিব…’ কিন্তু তার মধ্যেও বিদায় জানাতেই হয় ঘরের মেয়ে উমাকে…বিজয়া ‘দশমী’ কথাটির প্রাসঙ্গিক তাৎপর্য খুবই সহজবোধ্য।

সাধারণভাবে এবছরের মতো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের দশমী তিথিতে দেবী দুর্গা কৈলাস পাড়ি দেন। সেই কারণেই ‘বিজয়া দশমী’ নাম। কিন্তু এই দশমীকে ‘বিজয়া’ বলার কারণ খুঁজতে গেলে পৌরাণিক মতে একাধিক কাহিনী সামনে আসে।

পুরাণে মহিষাসুর-বধ সংক্রান্ত কাহিনিতে বলা হয়েছে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত্রি যুদ্ধ করার পরে দশম দিনে তার বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করেন দেবী।

আবার শ্রীশ্রীচণ্ডীর কাহিনী অনুসারে, আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে দেবী আবির্ভূতা হন, এবং শুক্লা দশমীতে মহিষাসুর-বধ করেন। বিজয়া দশমী সেই বিজয়কেই চিহ্নিত করে।

বিজয়া দশমী তিথিতে সকল অশুভ শক্তির বিনাশ করেন এবং সারা বছরের জন্য আমাদের আনন্দে ভরিয়ে রেখে যান দেবী দুর্গা।

এই বিজয়া দশমীতে সহজ কিছু উপায়ের মাধ্যমে নিজের ভাগ্যের উন্নতি ঘটানো সম্ভব হয়।

হাজারো বিষাদের মধ্যেও মায়ের বিদায় বেলায় এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের অন্যান্য অংশের সঙ্গে বাঁকুড়্মা জেলা জুড়েও ‘মা’কে বিদায় জানালেন আমজনতা। চলতি করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় সর্বত্রই ঘট নিরঞ্জন থেকে সিঁদুর খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.