কলকাতা: ঋণের আসল টাকা ব্যাঙ্কদের সোধ করে দেওয়া হবে৷ লন্ডন থেকে ট্যুইটারে এই প্রস্তাব দিলেন ঋণ খেলাপি ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া৷ ঋণ নিয়ে টাকা ফেরৎ না দেওয়া সহ তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেন গোয়ান্দাদের চোখে ফেরার ওই ব্যবসায়ী৷

তার এই অবস্থার ট্যইটারে দেশের রাজনীতি ও সংবাদ মাধ্যমের একাংশকে দায়ী করেন বিজয় মালিয়া৷ তাঁর অভিযোগ, ‘‘বারতের একাশের রাজনীতিবিদ ও সংবাদ মাধ্যাম আমার গায়ে চোরের তকমা সেঁটে দিয়েছে৷ বলছে আমি টাকা ঋণ করে পালিয়েছি৷ যা একেবারেই মিথ্যা৷ আমি টাকা ফেরৎ দিতে প্রস্তুত৷’’ এক্ষেত্রে তিনি কর্ণাটক হাইকোর্টের রফাসূত্রের কতা উল্লেখ করেন৷ তাঁর দাবি, ‘‘কর্ণাটক হাইকোর্ট টাকা ফেরতে যে রফাসূত্রের কথা বলেছিল তা কার্যকর হলে কোনও অসুবিধায় হত না৷’’

আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে ক্ষমতাশালী ‘Big Bird’-এর উৎক্ষেপণে সফল ইসরো

গত মাসেই মুম্বইয়ের স্পেশাল প্রিভেনশন ওউ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট কোর্ট ইডি মামলায় স্থগিতাদেশ চেয়ে বিজয় মালিয়ার আবেদ নাকচ করে দেয়৷ ঋণ খেলাপি লিকার ব্যারনকে পলাতক বলে ঘোষণা করে৷ তার আগে ব্রিটেনে তার বিরুদ্ধে টাকা তছরুপের অভিযোগ আনা হয়৷ তবে সে দেশের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় ঋণখেলাপি অভিযুক্তকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয় ইডি ও সিবিআিই৷

আরও পড়ুন: চপার কেলেঙ্কারির তদন্তে অতি সক্রিয় সিবিআই, তোপ খুরশিদের

যদিও চলচি বছরের নভেন্বরের ২২ তারিখ ইউনাইটেড কিংডম হাইকোর্টে একটি অর্ডার ইস্যু করে৷ যাতে বলা হয়, মোট ঋণের মধ্যে ৮৮ হাজার গ্রেট ব্রিটেন পাউন্ড ইউবিএস ইনভেসমেন্ট ব্যাঙ্ককে ফেরতের জন্য৷ নয়তো ব্যাঙ্ক তার প্রাসাদ নিলাম করতে পারবে৷

ঋণ কেলাপির অভিযোগে ধরপাকড়ের বিগত দু’বছর ধরে ব্রিটেনে রয়েছেন লিকার ব্যারন বিজয় মালিয়া৷ তাকে পেরাতে তৎপর ভারত৷ ওয়েস্ট মিনস্টার আদালতে মালিয়ার প্রত্যর্পণ মামলাটি প্রায় নিষ্পত্তির মুখে৷ হয়তো এমাসের শেষের দিকে অন্তিম রায় দেবে আদালত৷ রায় তার বিপক্ষে গেলে দেশে ফিরতেই হবে৷ তাই আগেভাগেই ঋণের আসল মিটিয়ে দেওয়ার কথা বিজয় মালিয়ার মুখে বলে মনে করা হচ্ছে৷