ঢাকা: টানা সংগ্রাম, ভারতীয় সেনা ও মুক্তিবাহিনীর অভূতপূর্ব আক্রমণে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্ত করা সম্ভব হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা শহরকে৷ পাকিস্তান ভেঙে আত্মপ্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ৷ সেই দিনটি স্মরণ রেখে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে৷

বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মহ. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর তরফে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করা হয়৷

একাত্তর সালে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল একরাশ স্বপ্ন বুকে নিয়ে। ৪৭ বছরের এই পথপরিক্রমায় কতটা পূরণ হয়েছে তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ৷ এর মধ্যেই এসেছে জাতীয় নির্বাচন৷ ফলে রাজনৈতিক উত্তাপ প্রবল৷ সবমিলে বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে উদ্দীপনা ও সাড়ম্বরে৷ বহুজন জাতীয় শহিদ স্তম্ভের কাছে গিয়ে ফুল অর্পণ করেছেন৷

নয় মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় পেয়েছিল৷ ওই দিন বিকেলে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করে ভারত ও মুক্তিসেনার সামনে৷ আত্মসমর্পণের সেই মুহূর্তে ভারতীয় সেনার জিওসি জগজিৎ সিং আরোরার সামনে দলিলে সই করেন পাকিস্তানের তরফে এএকে নিয়াজি৷ ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশ তৈরি হয়ে যায়৷