কলকাতা: ফের বন্ধ হচ্ছে শহরের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু। উত্তরের পর এবার দক্ষিণ। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে বিজন সেতু। সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশকে এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই জানিয়েছে কেএমডিএ।

আগেই এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শুক্রবার থেকে বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য সেতু বন্ধ রাখা হবে। তিনদিন বালিগঞ্জ স্টেশন লাগোয়া এই উড়ালপুলে যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে।

পুলিশ এবিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। কেএমডিএ’র ব্রিজ বিশেষজ্ঞ কমিটি যে আটটি উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তার মধ্যে সাতটির কাজই পুজোর আগে হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে শুধু বিজন সেতু। এই সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা কালীপুজোর আগেই সেরে ফেলতে চায় কেএমডিএ।

অন্যদিকে, টালার উপর দিয়ে বাসের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। ব্যাপক যানজটের শিকার হচ্ছে নিত্যযাত্রীরা। ওই ব্রিজ দিয়ে ৩টনের বেশি ওজনের যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ফলে পণ্যবাহী গাড়ির সঙ্গেই অর্ধশতাব্দী প্রাচীন টালা ব্রিজ দিয়ে বাস চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। কলকাতা পুলিশের তরফে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা হয়। বাস মালিকদের দাবি, ঘুরপথে জ্বালানী খরচ প্রত্যেকদিন প্রায় ৫০০ টাকা বেড়ে গিয়েছে। এইভাবে লোকসান করে বাস চালানো অসম্ভব।

এই নয়টি রুটের বাস মালিকরা তাঁদের সমস্যার কথা ইতিমধ্যেই জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটকে জানিয়েছেন। সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যা অবস্থা তাতে ওই রুটে জ্বালানীর খরচও উঠছে না।

বাধ্য হয়ে তিনটি রুটের বাস বন্ধ করে দিতে হয়েছে। সেগুলো হল, ৩৪বি , ৩৪সি এবং ২০১ রুটের বাস। মূলত ওই বাসগুলো ডানলপ থেকে টালা ব্রিজ হয়ে ধর্মতলা যেত। বর্তমানে শতাধিক বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও অনেক বাস বন্ধ হওয়ার পথে। এর ফলে যেমন বন্ধ বাস- মিনিবাসের চালক, কন্ডাকটর এবং মালিকেরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তেমনি বাস বন্ধ থাকায় দুর্ভোগের শিকার সাধারণ যাত্রীরাও।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, জনসাধারণের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার স্বার্থে টালা ব্রিজের উপর গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ কার্যকর করতে হয়েছে। বিধিনিষেধ অনুযায়ী পণ্যবাহী গাড়ি এবং বাস ও মিনিবাস টালা ব্রিজের উপর দিয়ে চলবে না। চলবে শুধু ছোট গাড়ি।তবে তাদেরও গতি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। টালা ব্রিজের উপর দিয়ে যে বাস ও মিনিবাসগুলি চলাচল করত, সেগুলির পরিবর্তিত রুট সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি রয়েছে পরিবহণ দফতরের ওয়েবসাইটে। এছাড়া কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ