কলকাতা : দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। পটনায় মৃত ব্যক্তিকে কলকাতায় বাড়ছে উদ্বেগ।কারন সে সদ্য কলকাতা ঘুরে গিয়েছে।

এর আগে আমলা পুত্র করোনা নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছিল কলকাতায়। তাই নিয়ে শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে ওই আমলা পুত্রের বাবা ও মায়ের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসায়, শহরবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।

এবার জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে পটনায় যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, সে সদ্য কলকাতায় ঘুরে গিয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ফের উদ্বেগ বাড়ছে কলকাতায়।

বিহারের ওই ব্যক্তি সম্প্রতি কাতার থেকে কলকাতা হয়ে বিহারে ফিরেছিলেন। তারপর সেখানে তার মৃত্যু হয়। বিহারে মৃত ব্যক্তির বয়স ৩৮।

এই নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট ছ’জনের মৃত্যু হল ভারতে। বেসরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা সাত। রবিবার মহারাষ্ট্রে একজনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এর আগেও এই রাজ্যে আরও একজনের মৃ্ত্যুর খবর আসে। এছাড়াও বিহারে আরও একজনের এই ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে।

বিহারে এক ৩৮ বছরের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি কিছুদিন আগে কাতারে গিয়েছিলেন। তাঁর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। রেনাল ফেলিওরে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বিহারে এই প্রথম করোনা ভাইরাসের ঘটনা সামনে এল।

এদিকে, মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪। রবিবার সকালে ৬৩ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। তাঁর ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ ছিল বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে, পঞ্জাবের এক ব্যক্তির মৃত্যু করোনায় হয়েছে। আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরে রিপোর্ট আসায় জানা গিয়েছে যে ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস ছিল।

৭২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি সদ্য বিদেশ থেকে ফেরেন। জার্মানি থেকে ইতালি হয়ে ভারতে ফিরেছিলেন তিনি। পঞ্জাবের নওয়ানশহরের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। প্রচণ্ড বুকে ব্যাথার পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর শরীর থেকে যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তাতে মিলেছে করোনা ভাইরাস।

এর আগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে ভারতে। কর্ণাটকে, দিল্লিতে ও মহারাষ্ট্রে ওই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

ইতিমধ্যে মারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক মানুষ। গবেষকদের আশঙ্কা, যে আগামী চতুর্থ এবং পঞ্চম সপ্তাহে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। মারণ এই ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও